TET প্রস্তুতি
WBPSC ও WBSSC
সম্পূর্ণ বাংলা নোটস
মানবদেহের শ্বসনতন্ত্র (Respiratory System): অঙ্গ, কাজ, শ্বাসক্রিয়া ও গুরুত্বপূর্ণ MCQ
মানবদেহের প্রতিটি কোষের বেঁচে থাকা ও স্বাভাবিক কাজের জন্য শক্তি প্রয়োজন। কোষ খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের সময় অক্সিজেন ব্যবহার করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে। এই অক্সিজেন সরবরাহ এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণের কাজে শ্বসনতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক TET, WBPSC, WBSSC, WB Police, পঞ্চায়েত এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় শ্বসনতন্ত্র থেকে সাধারণত অঙ্গের অবস্থান, ফুসফুসের গঠন, অ্যালভিওলাই, ডায়াফ্রাম, শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া এবং গ্যাসের আদান-প্রদান সম্পর্কিত প্রশ্ন করা হয়। এই নোটে বিষয়গুলি সহজ ভাষায় এবং পরীক্ষার উপযোগীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- শ্বসনতন্ত্রের সংজ্ঞা ও প্রধান কাজ
- শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গের গঠন ও কাজ
- ফুসফুস ও অ্যালভিওলাইয়ের ভূমিকা
- প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাসের প্রক্রিয়া
- গ্যাসের আদান-প্রদান ও অক্সিজেন পরিবহণ
- শ্বাসক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ
- শ্বসনতন্ত্রের সাধারণ রোগ ও প্রতিরোধ
- 10টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
1. শ্বসনতন্ত্র কাকে বলে?
যে অঙ্গতন্ত্রের সাহায্যে জীবদেহ পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে, তাকে শ্বসনতন্ত্র (Respiratory System) বলে। মানুষের শ্বসনতন্ত্র মূলত ফুসফুসের মাধ্যমে গ্যাসের আদান-প্রদান সম্পন্ন করে।
শ্বসনতন্ত্রের কাজকে বুঝতে দুটি বিষয় আলাদা করে জানা জরুরি:
- শ্বাস-প্রশ্বাস বা Breathing: ফুসফুসে বাতাস প্রবেশ করা এবং বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার যান্ত্রিক প্রক্রিয়া।
- কোষীয় শ্বসন বা Cellular Respiration: কোষের মধ্যে খাদ্য অণু ভেঙে শক্তি উৎপাদনের জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া।
2. শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গসমূহ
মানবদেহের শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গগুলি হলো নাসারন্ধ্র, নাসাগহ্বর, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল এবং ফুসফুস। প্রতিটি অঙ্গ শ্বাসগ্রহণ থেকে শুরু করে গ্যাসের আদান-প্রদান পর্যন্ত নির্দিষ্ট কাজ করে।
| অঙ্গের নাম | ইংরেজি নাম | প্রধান কাজ |
|---|---|---|
| নাক ও নাসাগহ্বর | Nose and Nasal Cavity | বাতাস ছেঁকে নেওয়া, উষ্ণ ও আর্দ্র করা |
| গলবিল | Pharynx | বায়ু চলাচলের পথ হিসেবে কাজ করা |
| স্বরযন্ত্র | Larynx | শব্দ উৎপাদন এবং বায়ু চলাচলে সাহায্য করা |
| শ্বাসনালি | Trachea | বায়ু ব্রঙ্কাসে পৌঁছে দেওয়া |
| ব্রঙ্কাস | Bronchus | প্রতিটি ফুসফুসে বায়ু পৌঁছে দেওয়া |
| ব্রঙ্কিওল | Bronchiole | ফুসফুসের গভীরে বায়ু বিতরণ করা |
| বায়ুথলি | Alveoli | অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান |
| ফুসফুস | Lungs | গ্যাসের আদান-প্রদানের প্রধান অঙ্গ |
| ডায়াফ্রাম | Diaphragm | শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগে সাহায্য করা |
2.1 নাক ও নাসাগহ্বর (Nose and Nasal Cavity)
শ্বাসগ্রহণের সময় সাধারণত নাকের মাধ্যমে বাতাস শরীরে প্রবেশ করে। নাসাগহ্বরের ভেতরে সূক্ষ্ম লোম, শ্লেষ্মা এবং রক্তনালির উপস্থিতি থাকে। এগুলি বাতাসের ধুলোবালি ও কিছু জীবাণু আটকে রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র করে ফুসফুসে পাঠানোর উপযোগী করে তোলে।
2.2 গলবিল (Pharynx)
গলবিল নাক ও মুখগহ্বরের পিছনে অবস্থিত একটি পেশিবহুল অংশ। এটি খাদ্য ও বায়ু চলাচলের সাধারণ পথের অংশ। গলবিল থেকে বায়ু স্বরযন্ত্রের দিকে যায়।
2.3 স্বরযন্ত্র (Larynx)
স্বরযন্ত্রকে Voice Box বলা হয়। এটি শ্বাসনালির উপরের দিকে অবস্থিত। স্বরযন্ত্রে স্বরতন্ত্রী বা Vocal Cords থাকে, যা শব্দ উৎপাদনে সাহায্য করে।
2.4 এপিগ্লটিস (Epiglottis)
এপিগ্লটিস হলো পাতার মতো আকৃতির একটি তরুণাস্থিময় গঠন। খাবার গেলার সময় এটি শ্বাসনালির প্রবেশপথ ঢেকে দিতে সাহায্য করে, ফলে খাদ্য সাধারণত শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে না।
2.5 শ্বাসনালি (Trachea)
শ্বাসনালি স্বরযন্ত্র থেকে শুরু হয়ে বক্ষগহ্বরে নেমে দুটি প্রধান ব্রঙ্কাসে বিভক্ত হয়। এর দেয়ালে C-আকৃতির তরুণাস্থির বলয় থাকে, যা শ্বাসনালিকে চুপসে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। শ্বাসনালির ভেতরে সিলিয়া ও শ্লেষ্মা ধুলোবালি এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র কণা আটকে বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে।
2.6 ব্রঙ্কাস ও ব্রঙ্কিওল (Bronchus and Bronchiole)
শ্বাসনালি দুটি প্রধান ব্রঙ্কাসে বিভক্ত হয়ে ডান ও বাম ফুসফুসে প্রবেশ করে। ফুসফুসের ভেতরে ব্রঙ্কাস ক্রমশ ছোট ছোট শাখায় বিভক্ত হয়। এই সূক্ষ্ম শাখাগুলিকে ব্রঙ্কিওল বলে। ব্রঙ্কিওলের শেষ প্রান্তে অসংখ্য অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলি থাকে।
3. ফুসফুসের গঠন ও কাজ (Structure of Lungs)
ফুসফুস মানবদেহের প্রধান শ্বসন অঙ্গ। এটি বক্ষগহ্বরে অবস্থিত এবং ডান ও বাম—এই দুটি ভাগে বিভক্ত। ফুসফুসের বাইরের আবরণকে প্লুরা (Pleura) বলে। প্লুরার দুটি স্তরের মাঝখানে অল্প পরিমাণ প্লুরাল তরল থাকে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
| বৈশিষ্ট্য | ডান ফুসফুস | বাম ফুসফুস |
|---|---|---|
| লোবের সংখ্যা | 3টি | 2টি |
| আকৃতি | তুলনামূলকভাবে বড় ও প্রশস্ত | হৃদপিণ্ডের জন্য কিছুটা ছোট |
| বিশেষ বৈশিষ্ট্য | উপরের, মধ্য ও নিচের লোব | উপরের ও নিচের লোব; Cardiac Notch থাকে |
ফুসফুসের প্রধান কাজ হলো অ্যালভিওলাইয়ের মাধ্যমে রক্ত ও বায়ুর মধ্যে অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান ঘটানো। ফুসফুস নিজে পেশির মতো সক্রিয়ভাবে প্রসারিত হয় না; ডায়াফ্রাম ও পাঁজরের মধ্যবর্তী পেশির কাজের ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন পরিবর্তিত হয় এবং ফুসফুস প্রসারিত বা সংকুচিত হয়।
4. অ্যালভিওলাই (Alveoli) কী?
অ্যালভিওলাই হলো ফুসফুসের ভেতরে অবস্থিত অসংখ্য ক্ষুদ্র বায়ুথলি। এগুলি ব্রঙ্কিওলের শেষ প্রান্তে গুচ্ছাকারে থাকে। অ্যালভিওলাইয়ের দেয়াল অত্যন্ত পাতলা এবং চারপাশে ঘন কৈশিক রক্তনালির জালিকা থাকে। এই গঠনের কারণে অ্যালভিওলাইয়ে গ্যাসের আদান-প্রদান দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়।
অ্যালভিওলাইয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য
- অ্যালভিওলাইয়ের প্রাচীর অত্যন্ত পাতলা, সাধারণত এক স্তরবিশিষ্ট কোষ দিয়ে গঠিত।
- এর চারপাশে প্রচুর কৈশিক রক্তনালি থাকে।
- অসংখ্য অ্যালভিওলাই থাকার ফলে গ্যাস বিনিময়ের জন্য বৃহৎ পৃষ্ঠতল তৈরি হয়।
- অ্যালভিওলাইয়ের ভেতরে সারফ্যাকট্যান্ট (Surfactant) থাকে, যা পৃষ্ঠটান কমিয়ে অ্যালভিওলাইকে চুপসে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
- এখানেই রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড অ্যালভিওলাইয়ে আসে।
5. শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া (Mechanism of Breathing)
শ্বাস-প্রশ্বাসের দুটি প্রধান পর্যায় রয়েছে—প্রশ্বাস বা Inspiration এবং নিঃশ্বাস বা Expiration। এই প্রক্রিয়ায় ডায়াফ্রাম এবং পাঁজরের মধ্যবর্তী পেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
5.1 প্রশ্বাস বা শ্বাসগ্রহণ (Inspiration)
প্রশ্বাসের সময় বাইরের বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে। এই সময়:
- ডায়াফ্রাম সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নেমে যায় এবং তুলনামূলকভাবে সমতল হয়।
- বাহ্যিক আন্তঃপাঁজরীয় পেশি সংকুচিত হয়ে পাঁজরকে উপরে ও বাইরে তোলে।
- বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- ফুসফুসের ভেতরের চাপ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তুলনায় কমে যায়।
- ফলে বাইরের বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
5.2 নিঃশ্বাস বা শ্বাসত্যাগ (Expiration)
নিঃশ্বাসের সময় ফুসফুস থেকে বাতাস বাইরে বেরিয়ে যায়। স্বাভাবিক নিঃশ্বাসের সময়:
- ডায়াফ্রাম শিথিল হয়ে গম্বুজের মতো আকার ধারণ করে এবং উপরে উঠে যায়।
- বাহ্যিক আন্তঃপাঁজরীয় পেশি শিথিল হয় এবং পাঁজর নিচে ও ভেতরের দিকে নামে।
- বক্ষগহ্বরের আয়তন কমে যায়।
- ফুসফুসের ভেতরের চাপ বেড়ে যায়।
- ফলে বাতাস ফুসফুস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে।
| বিষয় | প্রশ্বাস (Inspiration) | নিঃশ্বাস (Expiration) |
|---|---|---|
| ডায়াফ্রাম | সংকুচিত হয়, নিচে নামে | শিথিল হয়, উপরে ওঠে |
| বক্ষগহ্বরের আয়তন | বাড়ে | কমে |
| ফুসফুসের চাপ | কমে | বাড়ে |
| বাতাসের চলাচল | ফুসফুসে প্রবেশ করে | ফুসফুস থেকে বের হয় |
6. গ্যাসের আদান-প্রদান (Exchange of Gases)
গ্যাসের আদান-প্রদান মূলত ব্যাপন বা Diffusion প্রক্রিয়ায় ঘটে। কোনো গ্যাসের আংশিক চাপ বেশি এমন স্থান থেকে আংশিক চাপ কম এমন স্থানে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। অ্যালভিওলাই ও কৈশিক রক্তনালির মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান এই নীতিতে হয়।
অ্যালভিওলাইয়ে অক্সিজেনের আদান-প্রদান
অ্যালভিওলাইয়ের বাতাসে অক্সিজেনের আংশিক চাপ রক্তের তুলনায় বেশি থাকে। তাই অক্সিজেন অ্যালভিওলাই থেকে কৈশিক রক্তনালিতে প্রবেশ করে এবং লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান
দেহের কোষে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছায়। রক্তে এর আংশিক চাপ অ্যালভিওলাইয়ের তুলনায় বেশি হওয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত থেকে অ্যালভিওলাইয়ে প্রবেশ করে। পরে নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়।
বাইরের বাতাস → নাসাগহ্বর → শ্বাসনালি → ব্রঙ্কাস → ব্রঙ্কিওল → অ্যালভিওলাই → রক্ত
দেহকোষে উৎপন্ন CO₂ → রক্ত → ফুসফুসের কৈশিক রক্তনালি → অ্যালভিওলাই → নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাইরে
7. রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহণ
অক্সিজেন পরিবহণ
রক্তে অক্সিজেনের অধিকাংশই লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন (Oxyhaemoglobin) আকারে পরিবাহিত হয়। অল্প পরিমাণ অক্সিজেন রক্তরসে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। ফুসফুসে অক্সিজেন হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং দেহের টিস্যুতে প্রয়োজন অনুযায়ী মুক্ত হয়।
কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহণ
কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্তের মাধ্যমে প্রধানত তিনভাবে পরিবাহিত হয়:
- বেশিরভাগ অংশ বাইকার্বোনেট আয়ন (Bicarbonate Ion) হিসেবে।
- কিছু অংশ হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্বামিনোহিমোগ্লোবিন (Carbaminohaemoglobin) হিসেবে।
- অল্প অংশ রক্তরসে সরাসরি দ্রবীভূত অবস্থায়।
8. কোষীয় শ্বসন (Cellular Respiration)
কোষের মধ্যে খাদ্য, বিশেষত গ্লুকোজ, ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে কোষীয় শ্বসন বলে। অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সংঘটিত শ্বসনকে সবাত শ্বসন (Aerobic Respiration) বলা হয়। অক্সিজেন ছাড়া বা অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সংঘটিত শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে অবাত শ্বসন (Anaerobic Respiration) বলে।
| বৈশিষ্ট্য | সবাত শ্বসন | অবাত শ্বসন |
|---|---|---|
| অক্সিজেন | প্রয়োজন হয় | প্রয়োজন হয় না |
| গ্লুকোজের ভাঙন | সম্পূর্ণ | অসম্পূর্ণ |
| শক্তি উৎপাদন | তুলনামূলকভাবে বেশি | তুলনামূলকভাবে কম |
| প্রধান উৎপাদ | কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জল | জীবের ধরন অনুযায়ী ল্যাকটিক অ্যাসিড বা ইথানল ও CO₂ |
মানবদেহে কোষীয় শ্বসনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলি হলো Glycolysis, Citric Acid Cycle বা Krebs Cycle এবং Electron Transport Chain। Glycolysis কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে; পরবর্তী প্রধান সবাত ধাপগুলি মাইটোকন্ড্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।
9. শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ (Control of Breathing)
মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। মস্তিষ্কের ব্রেনস্টেমের মেডুলা অবলংগাটা (Medulla Oblongata) এবং পন্স (Pons) শ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দ ও নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে।
- Medulla Oblongata: শ্বাস-প্রশ্বাসের মৌলিক ছন্দ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Pons: শ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দ ও গভীরতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
- Chemoreceptors: রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইড, pH এবং অক্সিজেনের পরিবর্তন শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা ও তার ফলে pH-এর পরিবর্তন শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।
10. শ্বসনতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ ও তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| মানুষের ফুসফুস | 2টি |
| ডান ফুসফুসের লোব | 3টি |
| বাম ফুসফুসের লোব | 2টি |
| শ্বাসনালি | 2টি প্রধান ব্রঙ্কাসে বিভক্ত হয় |
| গ্যাসের আদান-প্রদানের স্থান | অ্যালভিওলাই |
| ফুসফুসের আবরণ | প্লুরা (Pleura) |
| শ্বাসগ্রহণে প্রধান পেশি | ডায়াফ্রাম |
| অক্সিজেন পরিবহণ | প্রধানত হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে |
| CO₂ পরিবহণ | প্রধানত বাইকার্বোনেট আয়ন হিসেবে |
| শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ | ব্রেনস্টেম |
পরীক্ষার সতর্কতা: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক বিশ্রামকালীন শ্বাসের হার সাধারণত প্রতি মিনিটে প্রায় 12–20 বার ধরা হয়। বয়স, শারীরিক অবস্থা, জ্বর, ব্যায়াম এবং অন্যান্য কারণে এই হার পরিবর্তিত হতে পারে।
সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করুন
জীববিজ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়ের নোটস এবং MCQ অনুশীলনের জন্য My Test Series-এ বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করুন।
11. শ্বসনতন্ত্রের সাধারণ রোগ
শ্বসনতন্ত্রে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি, দূষণ এবং অন্যান্য কারণে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। পরীক্ষার জন্য কয়েকটি পরিচিত রোগের কারণ ও বৈশিষ্ট্য জানা জরুরি।
| রোগ | প্রধান বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| অ্যাজমা (Asthma) | শ্বাসনালির প্রদাহ ও সংকোচনের ফলে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও শোঁ শোঁ শব্দ হতে পারে। |
| ব্রঙ্কাইটিস (Bronchitis) | ব্রঙ্কাসের প্রদাহ; কাশি ও কফ হতে পারে। |
| নিউমোনিয়া (Pneumonia) | ফুসফুসের বায়ুথলিতে সংক্রমণ ও তরল জমতে পারে। |
| যক্ষ্মা (Tuberculosis) | Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়; সাধারণত ফুসফুস আক্রান্ত হয়। |
| এমফাইসিমা (Emphysema) | অ্যালভিওলাইয়ের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস বিনিময়ের কার্যকারিতা কমে যায়। |
| ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) | ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ। |
শ্বসনতন্ত্র সুস্থ রাখার উপায়
- ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলুন।
- ধুলোবালি ও বায়ুদূষণ থেকে যথাসম্ভব সুরক্ষিত থাকুন।
- পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
- সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত পরিষ্কার রাখুন এবং প্রয়োজনীয় টিকা নিন।
- দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
12. শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্রের সম্পর্ক
শ্বসনতন্ত্র এবং সংবহনতন্ত্র একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। শ্বসনতন্ত্র ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং রক্তে অক্সিজেন সরবরাহের সুযোগ তৈরি করে। সংবহনতন্ত্র সেই অক্সিজেন দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেয়। আবার কোষে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে ফিরে আসে এবং শ্বাসত্যাগের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
অতএব, শ্বসনতন্ত্র গ্যাসের আদান-প্রদান করে এবং সংবহনতন্ত্র সেই গ্যাস সারা দেহে পরিবহণ করে।
13. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
| বিষয় | অর্থ |
|---|---|
| Breathing | বাতাস গ্রহণ ও ত্যাগের যান্ত্রিক প্রক্রিয়া |
| Respiration | জীবদেহে শক্তি উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত সামগ্রিক শ্বসন প্রক্রিয়া |
| External Respiration | ফুসফুসের অ্যালভিওলাই ও রক্তের মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদান |
| Internal Respiration | রক্ত ও দেহের টিস্যুর মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদান |
| Cellular Respiration | কোষের মধ্যে খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপাদন |
| Alveoli | ফুসফুসের গ্যাস বিনিময়ের ক্ষুদ্র বায়ুথলি |
14. গুরুত্বপূর্ণ 10টি MCQ — উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
নিচের প্রশ্নগুলি TET, WBPSC, WBSSC, WB Police ও অন্যান্য সরকারি চাকরির সাধারণ বিজ্ঞান বিভাগের প্রস্তুতির জন্য তৈরি। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটি সাধারণ অনুশীলন বিভাগ, কোনও অনলাইন টেস্ট নয়।
A) হৃৎপিণ্ড
B) যকৃৎ
C) ফুসফুস
D) বৃক্ক
ব্যাখ্যা: ফুসফুস মানবদেহের প্রধান শ্বসন অঙ্গ। ফুসফুসের অ্যালভিওলাইয়ে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান ঘটে।
A) শ্বাসনালি
B) ব্রঙ্কাস
C) অ্যালভিওলাই
D) স্বরযন্ত্র
ব্যাখ্যা: অ্যালভিওলাইয়ের পাতলা প্রাচীর এবং চারপাশে থাকা কৈশিক রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের ব্যাপন ঘটে।
A) 1টি
B) 2টি
C) 3টি
D) 4টি
ব্যাখ্যা: মানুষের ডান ফুসফুসে 3টি লোব—উপরের, মধ্য ও নিচের লোব থাকে। বাম ফুসফুসে 2টি লোব থাকে।
A) 1টি
B) 2টি
C) 3টি
D) 4টি
ব্যাখ্যা: হৃদপিণ্ডের অবস্থানের জন্য বাম ফুসফুস তুলনামূলকভাবে ছোট এবং এতে 2টি লোব থাকে।
A) শিথিল হয়ে উপরে ওঠে
B) সংকুচিত হয়ে নিচে নামে
C) সম্পূর্ণ স্থির থাকে
D) সংকুচিত হয়ে উপরে ওঠে
ব্যাখ্যা: প্রশ্বাসের সময় ডায়াফ্রাম সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নামে। এর ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন বাড়ে এবং বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
A) প্লাজমা প্রোটিন
B) হিমোগ্লোবিন
C) ইনসুলিন
D) ফাইব্রিন
ব্যাখ্যা: লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন তৈরি করে। এভাবেই অক্সিজেনের অধিকাংশ পরিবাহিত হয়।
A) অক্সিহিমোগ্লোবিন
B) বাইকার্বোনেট আয়ন
C) অক্সিজেন আয়ন
D) গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা: রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের অধিকাংশ বাইকার্বোনেট আয়ন হিসেবে পরিবাহিত হয়। কিছু অংশ হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং অল্প অংশ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
A) অস্থির বলয়
B) C-আকৃতির তরুণাস্থির বলয়
C) পেশির আবরণ
D) স্নায়ুতন্তু
ব্যাখ্যা: শ্বাসনালির দেয়ালে থাকা C-আকৃতির তরুণাস্থির বলয় শ্বাসনালিকে খোলা রাখতে এবং চুপসে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
A) সেরিবেলাম
B) মেডুলা অবলংগাটা
C) সেরিব্রাম
D) হাইপোথ্যালামাস
ব্যাখ্যা: ব্রেনস্টেমের মেডুলা অবলংগাটা শ্বাস-প্রশ্বাসের মৌলিক ছন্দ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পন্সও শ্বাসের ছন্দ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
A) পেরিকার্ডিয়াম
B) পেরিটোনিয়াম
C) প্লুরা
D) মেনিনজেস
ব্যাখ্যা: প্লুরা হলো ফুসফুসের আবরণ। এর দুটি স্তরের মাঝখানে থাকা প্লুরাল তরল শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
আরও বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান MCQ অনুশীলন করুন
সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে My Test Series-এ যোগ দিন।
15. দ্রুত রিভিশন: এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ — ফুসফুস।
- গ্যাসের আদান-প্রদানের স্থান — অ্যালভিওলাই।
- ডান ফুসফুসে লোব — 3টি।
- বাম ফুসফুসে লোব — 2টি।
- ফুসফুসের আবরণ — প্লুরা।
- শ্বাসনালি — Trachea।
- শ্বাসনালি দুটি প্রধান ব্রঙ্কাসে বিভক্ত হয়।
- শ্বাসগ্রহণে ডায়াফ্রাম সংকুচিত হয়ে নিচে নামে।
- অক্সিজেনের অধিকাংশ পরিবাহিত হয় হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে।
- কার্বন ডাই-অক্সাইডের অধিকাংশ পরিবাহিত হয় বাইকার্বোনেট আয়ন হিসেবে।
- শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণে মেডুলা অবলংগাটা গুরুত্বপূর্ণ।
- শ্বাসনালির C-আকৃতির তরুণাস্থি একে খোলা রাখতে সাহায্য করে।
16. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: শ্বসনতন্ত্র কাকে বলে?
উত্তর: যে অঙ্গতন্ত্রের সাহায্যে জীবদেহ অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে, তাকে শ্বসনতন্ত্র বলে। মানুষের ক্ষেত্রে ফুসফুস এই কাজের প্রধান অঙ্গ।
প্রশ্ন: মানুষের শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কোনটি?
উত্তর: ফুসফুস মানুষের শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। ফুসফুসের অ্যালভিওলাইয়ে গ্যাসের আদান-প্রদান ঘটে।
প্রশ্ন: অ্যালভিওলাই কী?
উত্তর: অ্যালভিওলাই হলো ফুসফুসের ভেতরে থাকা ক্ষুদ্র বায়ুথলি। এর পাতলা প্রাচীর ও কৈশিক রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান হয়।
প্রশ্ন: ডান ও বাম ফুসফুসে কয়টি করে লোব থাকে?
উত্তর: ডান ফুসফুসে 3টি এবং বাম ফুসফুসে 2টি লোব থাকে।
প্রশ্ন: শ্বাসগ্রহণের সময় ডায়াফ্রামের কী হয়?
উত্তর: শ্বাসগ্রহণের সময় ডায়াফ্রাম সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নামে। এতে বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
প্রশ্ন: রক্তে অক্সিজেন কীভাবে পরিবাহিত হয়?
উত্তর: অক্সিজেনের অধিকাংশ লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন আকারে পরিবাহিত হয়।
প্রশ্ন: শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কোন অংশ?
উত্তর: ব্রেনস্টেমের মেডুলা অবলংগাটা শ্বাস-প্রশ্বাসের মৌলিক ছন্দ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্ন: শ্বাসনালির কাজ কী?
উত্তর: শ্বাসনালি স্বরযন্ত্র থেকে বাতাসকে দুটি প্রধান ব্রঙ্কাসের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছে দেয়।
17. আরও পড়ুন — সম্পর্কিত নোটস ও পরীক্ষার প্রস্তুতি
মানবদেহ, জীববিজ্ঞান ও সাধারণ বিজ্ঞানের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়তে নিচের রিসোর্সগুলি দেখুন।
- পরিপাকতন্ত্র (Digestive System) — সম্পূর্ণ বাংলা নোটস ও MCQ
- WB পঞ্চায়েত পরীক্ষা — বাংলা প্রস্তুতি ও বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন
- WB পঞ্চায়েত PYQ বিশ্লেষণ — সাধারণ বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়
- Science Pedagogy TET — বাংলা নোটস
- ইতিহাস — সম্পূর্ণ নোটস ও MCQ
- ইতিহাসের উৎস ও অধ্যয়ন পদ্ধতি
- সিন্ধু সভ্যতা — গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও MCQ
- বৈদিক যুগ — সমাজ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতি
- মহাজনপদ ও মগধের উত্থান
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাস — সম্পূর্ণ নোটস
18. নির্ভরযোগ্য বাহ্যিক শিক্ষামূলক রিসোর্স
- National Heart, Lung, and Blood Institute (NHLBI) — Lungs and Respiratory Health
- OpenStax — The Respiratory System
- World Health Organization (WHO) — Air Pollution and Health
বাহ্যিক রিসোর্সগুলি শিক্ষামূলক ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য দেওয়া হয়েছে। লিংকগুলি স্বাভাবিক do-follow anchor হিসেবে রাখা হয়েছে; কোনও nofollow নির্দেশ যোগ করা হয়নি।
প্রতিদিনের চাকরির খবর ও পড়াশোনার আপডেট পেতে যুক্ত হন
My Test Series-এর WhatsApp Channel-এ যোগ দিয়ে Daily Updates, Exam News ও Study Resources পেতে থাকুন।
19. উপসংহার
শ্বসনতন্ত্র মানবদেহের একটি অপরিহার্য অঙ্গতন্ত্র। নাক থেকে শুরু করে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই পর্যন্ত প্রতিটি অংশ শ্বাস-প্রশ্বাস এবং গ্যাসের আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে অ্যালভিওলাই, ডায়াফ্রাম, হিমোগ্লোবিন, শ্বাসনালি এবং মেডুলা অবলংগাটার কাজ পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে মনে রাখা দরকার।
এই অধ্যায়টি পড়ার পর 10টি MCQ নিজে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং ভুল হওয়া বিষয়গুলি আবার পড়ুন। নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাধারণ বিজ্ঞান বিভাগে ভালো প্রস্তুতি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
About Ranjan Malakar
Ranjan Malakar is an experienced educational content writer and exam preparation mentor with more than 15 years of expertise in creating high-quality study materials, mock tests, MCQs, and competitive exam resources in Bengali, Assamese, and English languages.
He specializes in educational content related to WB Police, Panchayat, TET, Assam Exams, and various state-level competitive examinations. Through My Test Series, he continuously works to make exam preparation more accessible, affordable, and effective for students across India.




