চর্যাপদ সম্পূর্ণ নোট ও MCQ | WBSSC SLST বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ২০২৬ | MyTestSeries

চর্যাপদ সম্পূর্ণ নোট ও MCQ | WBSSC SLST বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ২০২৬ | MyTestSeries
৪৬½
মোট প্রাপ্ত পদ
২৩
জন রচয়িতা (সিদ্ধাচার্য)
১৯০৭
আবিষ্কারের বছর
১৩
কাহ্নপাদের পদ (সর্বোচ্চ)
৩০+
MCQ এই ব্লগে

চর্যাপদ কী? — বাংলা সাহিত্যের প্রথম আলো

বাংলা ভাষায় যদি কোনো একটিই প্রশ্ন করা হয় — "এই ভাষার সাহিত্যের শুরু কোথায়?" — তাহলে উত্তরটা এক কথায়: চর্যাপদ

চর্যাপদ হলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত ধর্মীয় গান বা পদের সংকলন। "চর্যা" শব্দের অর্থ সাধনার পথ বা আচরণ — আর "পদ" মানে গান বা ছন্দোবদ্ধ রচনা। তাই চর্যাপদ মানে হলো সাধনার পথে রচিত গীত

⏰ রচনাকাল: আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। তবে অধিকাংশ পণ্ডিত ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীকে মূল রচনাকাল বলে মনে করেন।

📜 ধর্মীয় পটভূমি: এগুলো বজ্রযান বা সহজযান বৌদ্ধ ধর্মের সাধকদের (সিদ্ধাচার্যদের) রচনা।

🔍 বিশেষত্ব: এই পদগুলো ধর্মীয় সাধনার বাণী হলেও, এর মধ্যে দিয়ে তৎকালীন বাংলার সমাজজীবন, জীবিকা, লোকাচার — সব কিছুর ছবি ভেসে ওঠে।

এই পদগুলির ভাষা সাংকেতিক ও রহস্যময়। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় সাধারণ জীবনের গল্প, কিন্তু ভেতরে লুকিয়ে আছে গভীর তান্ত্রিক সাধনার বার্তা। এই বিশেষ রচনারীতিকে বলে সন্ধ্যাভাষা

📖

সাহিত্যিক গুরুত্ব

বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন। এর আগের কোনো বাংলা রচনা পাওয়া যায়নি।

🎵

গীতিধর্মী রচনা

এগুলো পদ্যে রচিত গান, নির্দিষ্ট রাগ-রাগিণীতে গাওয়া হতো। মোট ৪৮টি রাগের উল্লেখ পাওয়া যায়।

🔐

সন্ধ্যাভাষা

দ্বিস্তরীয় অর্থ বহনকারী ভাষারীতি — বাহ্যিক অর্থ ভিন্ন, আধ্যাত্মিক অর্থ ভিন্ন।

🏛️

ঐতিহাসিক দলিল

৮ম–১২শ শতাব্দীর বাংলার সমাজ, পেশা ও জীবনযাত্রার জীবন্ত দলিল।

চর্যাপদের আবিষ্কার — হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অক্লান্ত অনুসন্ধান

চর্যাপদ নিজে থেকে আমাদের কাছে আসেনি। একজন অক্লান্ত গবেষকের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা বাংলা সাহিত্যের এই আদি নিদর্শন পাচ্ছি।

১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দ
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথমবার নেপাল যান এবং পুরনো পাণ্ডুলিপির খোঁজ শুরু করেন।
১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ
তৃতীয়বার নেপাল ভ্রমণে নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে চর্যাগীতির পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন। এর সাথে পাওয়া যায় দোহাকোষ, সরহপাদের দোহা এবং ডাকার্ণব।
১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা" নামে প্রকাশিত হয়। বইটি সম্পাদনা করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নিজেই।
১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'The Origin and Development of the Bengali Language (ODBL)' গ্রন্থে ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলার আদিরূপ।
পরবর্তীকালে
শশিভূষণ দাশগুপ্ত, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, প্রবোধচন্দ্র বাগচী প্রমুখ গবেষকরা আরও গভীর গবেষণা করেন।

📌 পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে বলেছেন "আলো-আঁধারি ভাষা" — এটি SLST-তে বারবার জিজ্ঞাসা করা হয়।

🔬 গবেষকদের মতামত একনজরে

গবেষক অবদান / মতামত
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার ও প্রকাশ; ভাষাকে "আলো-আঁধারি" বললেন। নেপাল থেকে পাণ্ডুলিপি উদ্ধার (১৯০৭)।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ODBL গ্রন্থে প্রমাণ করলেন ভাষাটি বাংলার আদিরূপ। রচনাকাল ৯৫০–১২০০ খ্রি. বললেন।
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচনাকাল ৬৫০–১২০০ খ্রি. বললেন; ভাষার সাথে পালি-প্রাকৃতের যোগ দেখালেন।
প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতী অনুবাদ থেকে গবেষণা করলেন; মোট পদের সংখ্যা ৫১ ছিল বললেন।
শশিভূষণ দাশগুপ্ত সন্ধ্যাভাষার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দিলেন; বৌদ্ধ সাহিত্যের ব্যাপক গবেষণা করলেন।
নীলরতন সেন চর্যাপদের সামাজিক ইতিহাসের দিক উন্মোচন করলেন।

চর্যাপদের রচয়িতা — ২৩ জন সিদ্ধাচার্য

চর্যাপদ একজনের রচনা নয় — এটি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত পদের সংকলন। মোট ২৩ জন রচয়িতা-র পদ এতে পাওয়া যায়।

💡 মনে রাখুন: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপাদ এবং সবচেয়ে বেশি পদ (১৩টি) রচনা করেছেন কাহ্নপাদ (কৃষ্ণাচার্য)

প্রধান রচয়িতাদের পদ সংখ্যা

কাহ্নপাদ
১৩টি পদ
সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা
অন্য নাম: কৃষ্ণাচার্য
ভুসুকুপাদ
৮টি পদ
দ্বিতীয় স্থানে
শান্তিদেব বলেও মত আছে
সরহপাদ
৪টি পদ
আদি সিদ্ধ
দোহাকোষ রচয়িতা
লুইপাদ
২টি পদ
প্রথম পদের রচয়িতা
আদি সিদ্ধাচার্য
শবরপাদ
২টি পদ
শবরজাতির জীবন বর্ণনাকারী
কুক্কুরীপাদ
২টি পদ
কুক্কুরী রূপকের ব্যবহার
ঢেণ্ঢণপাদ
১টি পদ
পদ নং ৩৩
বিরুআপাদ
৩টি পদ
তান্ত্রিক সাধক
# রচয়িতার নাম পদ সংখ্যা বিশেষ উল্লেখ
কাহ্নপাদ / কৃষ্ণাচার্য১৩সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা
ভুসুকুপাদপ্রকৃতি ও দেশজ চিত্রের জন্য বিখ্যাত
সরহপাদসর্বপ্রাচীন সিদ্ধ, দোহাকোষ রচয়িতা
শবরপাদশবর শিকারীর রূপক ব্যবহার
লুইপাদপ্রথম পদের (পদ নং ১) রচয়িতা
বিরুআপাদ
কুক্কুরীপাদ
চাটিলপাদ
গুণ্ডরীপাদ
১০ডোম্বীপাদডোম সম্প্রদায়ের উল্লেখ
১১তান্তীপাদ
১২দারিকপাদ
১৩ধামপাদ
১৪পাদমবজ্রপাদ
১৫মহীধরপাদ
১৬ভাদেপাদ
১৭মেদনপাদ
১৮বঙ্গীপাদ
১৯সান্তিপাদ
২০আজদেবপাদ
২১জয়নন্দীপাদ
২২লাড়ীডোম্বীপাদ
২৩ঢেণ্ঢণপাদ

চর্যাপদের ভাষা — বিতর্ক ও সিদ্ধান্ত

চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বাংলা, উড়িয়া, হিন্দি, অসমিয়া — বিভিন্ন ভাষার পণ্ডিতরা দাবি করেছেন। এই বিতর্কটি SLST পরীক্ষার একটি প্রিয় বিষয়।

🏆 চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে দেখিয়েছেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলার প্রাচীনতম রূপ — অর্থাৎ আদি-মধ্য বাংলা বা "Old Bengali"।

বিভিন্ন পণ্ডিতের মত

পণ্ডিত / গবেষক তাঁদের মত যুক্তি
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আলো-আঁধারি ভাষা ভাষাটি বাংলার মতো, তবে রহস্যাবৃত
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় পুরনো বাংলা (Old Bengali) ধ্বনিতত্ত্ব ও ব্যাকরণগত বিশ্লেষণে বাংলার আদিরূপ প্রমাণিত
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রাচীন বাংলা ভাষা বাংলা, অসমিয়া ও মৈথিলির মিশ্র ভাষা
উড়িয়া পণ্ডিতরা পুরনো উড়িয়া কিছু উড়িয়া শব্দের উপস্থিতি
হিন্দি পণ্ডিতরা আদি অপভ্রংশ হিন্দির সাথে মিল দাবি করেন

ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য

  • সংস্কৃত, পালি ও প্রাকৃতের শব্দ মিলিয়ে তৈরি অপভ্রংশ ভাষা
  • আধুনিক বাংলার অনেক শব্দ ও ক্রিয়ারূপের প্রাচীন রূপ খুঁজে পাওয়া যায়
  • বাক্যের গঠন অনেকটাই আধুনিক বাংলার মতো (কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া)
  • সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত — দ্বিস্তরীয় অর্থ বহন করে
  • তিব্বতীয় ভাষায় মুনিদত্তের সংস্কৃত টীকা পাওয়া গেছে

⭐ পরীক্ষায় বারবার জিজ্ঞাসা করা তথ্য

  • চর্যাপদের ভাষাকে "আলো-আঁধারি" বলেছেন → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • বাংলা ভাষার আদিরূপ প্রমাণ করেছেন → সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (ODBL গ্রন্থে)
  • চর্যাপদের ভাষাকে "সন্ধ্যাভাষা" বলেছেন → মুনিদত্ত (টীকাকার)
  • রচনাকাল (সুনীতিকুমার মতে) → ৯৫০–১২০০ খ্রি.
  • রচনাকাল (শহীদুল্লাহ মতে) → ৬৫০–১২০০ খ্রি.

চর্যাপদের বিষয়বস্তু ও সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য

চর্যাপদের বিষয়বস্তু একটিই — বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনা। কিন্তু যেভাবে তা প্রকাশিত হয়েছে, সেটি চর্যাপদকে কেবল ধর্মগ্রন্থ নয়, একটি সত্যিকারের সাহিত্যকর্মেও পরিণত করেছে।

🏔️

প্রকৃতি চিত্র

পাহাড়, নদী, বন, পাখি — নিসর্গের ছবি দিয়ে সাধনার কথা বলা হয়েছে। ভুসুকুপাদ এই ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য।

👨‍👩‍👧

সমাজজীবন

ডোম, শবর, কুম্ভকার, নৌকাচালক — নানা পেশার মানুষের জীবনচিত্র পাওয়া যায়।

🎭

রূপকধর্মী প্রকাশ

সন্ধ্যাভাষায় বাইরের রূপক আর ভেতরের অধ্যাত্ম-সাধনার বার্তা একই সাথে বহন করে।

🎵

সংগীতধর্মী

৪৮টি রাগ-রাগিণীতে গাওয়া হতো। ছন্দ ও তাল এই পদের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

চর্যাপদে সমাজজীবনের চিত্র

চর্যাপদ পড়লে ৮ম–১২শ শতাব্দীর বাংলার একটা জীবন্ত ছবি পাওয়া যায়। যেমন:

  • শবরপাদের পদে শবর শিকারীর জীবনচিত্র — বনে মৃগ শিকার, পাহাড়ের কোলে জীবনযাপন
  • ডোম্বীপাদের পদে ডোম সম্প্রদায়ের জীবন ও তাদের সাথে সিদ্ধাচার্যের সম্পর্ক
  • ভুসুকুপাদের পদে কৃষক ও চাষের ছবি — জমি চাষ, ধান কাটা, নৌকা চালানো
  • তৎকালীন বাংলায় নারীদের অবস্থান, গৃহস্থালি ও পারিবারিক জীবনের ইঙ্গিত

📝 একটি বিখ্যাত উক্তি সম্পর্কে: লুইপাদের প্রথম পদে আছে — "কাআ তরুবর পঞ্চবি ডাল" — অর্থাৎ শরীর রূপী গাছের পাঁচটি শাখা (পঞ্চ ইন্দ্রিয়)। এই রূপক বৌদ্ধ সাধনার মূল ধারণাকে প্রকাশ করে। চর্যাপদের যে কোনো একটি বিখ্যাত লাইন পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হতে পারে।

SLST পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য তথ্য — একসাথে

⭐ এই তথ্যগুলো মুখস্থ না করলেই নয়

  • চর্যাপদ আবিষ্কার করেন → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭ সালে, নেপাল থেকে)
  • প্রকাশিত হয় → ১৯১৬ সালে, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
  • মোট প্রাপ্ত পদ → ৪৬½ (সাড়ে ছেচল্লিশ)
  • মূল সংকলনে পদ ছিল → ৫১টি (মুনিদত্তের টীকা থেকে জানা যায়)
  • সবচেয়ে বেশি পদ → কাহ্নপাদ (১৩টি)
  • প্রথম পদের রচয়িতা → লুইপাদ
  • মোট রচয়িতা → ২৩ জন
  • ভাষার নাম (শাস্ত্রী মতে) → আলো-আঁধারি ভাষা
  • ভাষার নাম (সুনীতিকুমার মতে) → পুরনো বাংলা (Old Bengali)
  • বাংলা প্রমাণের গ্রন্থ → ODBL (সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ১৯২৬)
  • টীকাকার → মুনিদত্ত (সংস্কৃত টীকা রচনা করেন)
  • তিব্বতীয় অনুবাদক → কীর্তিচন্দ্র
  • সংকলনের নাম → চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
  • পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে → নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগারে
  • রাগের সংখ্যা → ৪৮টি
  • অনুপস্থিত পদ → ২৩ নম্বর পদ (পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া যায়নি)

চর্যাপদ ও অন্যান্য আবিষ্কৃত গ্রন্থ

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের সাথে আরও তিনটি গ্রন্থ আবিষ্কার করেন:

গ্রন্থের নামরচয়িতাবিষয়
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়বিভিন্ন সিদ্ধাচার্যবৌদ্ধ সাধনার গান — বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন
দোহাকোষসরহপাদবৌদ্ধ দর্শনের সংক্ষিপ্ত কবিতা
সরহপাদের দোহাসরহপাদতান্ত্রিক সাধনার বার্তা
ডাকার্ণববিভিন্নলোকজ্ঞান ও সংকেত ভাষার সংকলন

চর্যাপদ — ৩০+ গুরুত্বপূর্ণ MCQ (WBSSC SLST স্তরের)

📌 কীভাবে অনুশীলন করবেন: প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর নিজে ভেবে বলুন, তারপর সবুজ রঙে চিহ্নিত সঠিক উত্তরটি মিলিয়ে দেখুন। নিচে ব্যাখ্যাও দেওয়া আছে।

চর্যাপদ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে?
  • A তিব্বতের লাসা মঠ থেকে
  • B নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে
  • C কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
  • D শ্রীলংকার অনুরাধাপুরা থেকে
✅ সঠিক উত্তর: B — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন।
চর্যাপদে মোট কতটি পদ পাওয়া গেছে?
  • A ৫১টি
  • B ৪৬টি
  • C সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬½)
  • D ৫০টি
✅ সঠিক উত্তর: C — মূল সংকলনে ৫১টি পদ থাকলেও পাণ্ডুলিপিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬½) পদ পাওয়া গেছে। ২৩ নম্বর পদটি অনুপস্থিত এবং ১১ নম্বর পদটি খণ্ডিত।
চর্যাপদের ভাষাকে "আলো-আঁধারি" বলেছেন কে?
  • A সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • B হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • C মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  • D মুনিদত্ত
✅ সঠিক উত্তর: B — মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে "আলো-আঁধারি ভাষা" বলেছেন — যা একদিকে বোধগম্য, অন্যদিকে সাংকেতিক।
চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ কার রচনা?
  • A লুইপাদ
  • B ভুসুকুপাদ
  • C কাহ্নপাদ
  • D সরহপাদ
✅ সঠিক উত্তর: C — কাহ্নপাদ বা কৃষ্ণাচার্য সর্বোচ্চ ১৩টি পদ রচনা করেছেন।
চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয় কোন সংস্থা থেকে?
  • A কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  • B এশিয়াটিক সোসাইটি
  • C বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
  • D রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
✅ সঠিক উত্তর: C — ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা" নামে প্রকাশিত হয়।
ODBL গ্রন্থ কে রচনা করেন এবং কখন?
  • A হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭
  • B সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ১৯২৬
  • C মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ১৯২৮
  • D প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ১৯৩৮
✅ সঠিক উত্তর: B — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের "The Origin and Development of the Bengali Language" (ODBL) ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থেই চর্যাপদের ভাষাকে বাংলার আদিরূপ প্রমাণ করা হয়।
চর্যাপদের প্রথম পদ কে রচনা করেন?
  • A লুইপাদ
  • B কাহ্নপাদ
  • C সরহপাদ
  • D ভুসুকুপাদ
✅ সঠিক উত্তর: A — চর্যাপদের ১ নম্বর পদটি লুইপাদ রচনা করেছেন। এই পদের প্রথম লাইন: "কাআ তরুবর পঞ্চবি ডাল"।
চর্যাপদের ভাষাকে "সন্ধ্যাভাষা" বলেছেন কে?
  • A হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • B সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • C মুনিদত্ত
  • D শশিভূষণ দাশগুপ্ত
✅ সঠিক উত্তর: C — চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাকার মুনিদত্ত এই ভাষাকে "সন্ধ্যাভাষা" বলেছেন — যার অর্থ সন্ধ্যার আলো-আঁধারির মতো দ্বিস্তরীয় ভাষা।
চর্যাপদে মোট কতজন রচয়িতার পদ পাওয়া গেছে?
  • A ১৮ জন
  • B ২০ জন
  • C ২৩ জন
  • D ২৫ জন
✅ সঠিক উত্তর: C — চর্যাপদে ২৩ জন সিদ্ধাচার্যের পদ পাওয়া গেছে।
১০
চর্যাপদের সংকলনের মূল নাম কী?
  • A চর্যাগীতিকোষ
  • B চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
  • C বৌদ্ধগান ও দোহা
  • D দোহাকোষ
✅ সঠিক উত্তর: B — চর্যাপদের মূল সংকলনের নাম "চর্যাচর্যবিনিশ্চয়"। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে বইয়ে প্রকাশ করেন তার নাম "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা"।
১১
চর্যাপদ আবিষ্কারের বছর কোনটি?
  • A ১৯০১
  • B ১৯০৫
  • C ১৯০৭
  • D ১৯১৬
✅ সঠিক উত্তর: C — ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
১২
ভুসুকুপাদ চর্যাপদে কতটি পদ রচনা করেছেন?
  • A ৫টি
  • B ৬টি
  • C ৭টি
  • D ৮টি
✅ সঠিক উত্তর: D — ভুসুকুপাদ ৮টি পদ রচনা করেছেন এবং কাহ্নপাদের (১৩টি) পরেই তাঁর স্থান।
১৩
চর্যাপদে মোট কতটি রাগের উল্লেখ আছে?
  • A ৩২টি
  • B ৩৮টি
  • C ৪৮টি
  • D ৫৪টি
✅ সঠিক উত্তর: C — চর্যাপদের পদগুলি বিভিন্ন রাগে গাওয়া হতো এবং মোট ৪৮টি রাগ-রাগিণীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
১৪
চর্যাপদের তিব্বতীয় অনুবাদ কে করেন?
  • A মুনিদত্ত
  • B প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  • C কীর্তিচন্দ্র
  • D তারানাথ
✅ সঠিক উত্তর: C — কীর্তিচন্দ্র চর্যাপদের তিব্বতীয় অনুবাদ করেন। এই তিব্বতীয় অনুবাদ থেকে প্রবোধচন্দ্র বাগচী মূল পদ সংখ্যা ৫১ ছিল বলে নির্ণয় করেছেন।
১৫
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যাপদের রচনাকাল কোনটি?
  • A ৬৫০–১২০০ খ্রি.
  • B ৯৫০–১২০০ খ্রি.
  • C ৭০০–১১০০ খ্রি.
  • D ১০০০–১৩০০ খ্রি.
✅ সঠিক উত্তর: B — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে রচনাকাল ৯৫০–১২০০ খ্রি.। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০–১২০০ খ্রি.।
১৬
চর্যাপদের কোন পদটি পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া যায়নি?
  • A ১০ নম্বর পদ
  • B ১৫ নম্বর পদ
  • C ২৩ নম্বর পদ
  • D ৩০ নম্বর পদ
✅ সঠিক উত্তর: C — ২৩ নম্বর পদটি পাণ্ডুলিপিতে অনুপস্থিত এবং ১১ নম্বর পদটি খণ্ডিত (অর্ধেক) পাওয়া গেছে। তাই পদের সংখ্যা হয় ৪৬½।
১৭
চর্যাপদ কোন ধর্মের সাধকদের রচনা?
  • A হীনযান বৌদ্ধ ধর্ম
  • B থেরবাদ বৌদ্ধ ধর্ম
  • C বজ্রযান / সহজযান বৌদ্ধ ধর্ম
  • D মহাযান বৌদ্ধ ধর্ম
✅ সঠিক উত্তর: C — চর্যাপদ বজ্রযান বা সহজযান বৌদ্ধ ধর্মের সিদ্ধাচার্যদের রচনা। এই ধারাকে তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মও বলা হয়।
১৮
মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল কোনটি?
  • A ৬৫০–১২০০ খ্রি.
  • B ৯৫০–১২০০ খ্রি.
  • C ৮০০–১৩০০ খ্রি.
  • D ৭৫০–১১০০ খ্রি.
✅ সঠিক উত্তর: A — মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে রচনাকাল ৬৫০–১২০০ খ্রি.। সুনীতিকুমারের মতে ৯৫০–১২০০ খ্রি.। এই দুটো মত SLST-তে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই সতর্ক থাকুন।
১৯
চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা কে রচনা করেন?
  • A কীর্তিচন্দ্র
  • B হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • C মুনিদত্ত
  • D সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
✅ সঠিক উত্তর: C — মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন এবং এই ভাষাকে "সন্ধ্যাভাষা" নামে অভিহিত করেন।
২০
"কাআ তরুবর পঞ্চবি ডাল" — এই লাইনটি চর্যাপদের কোন পদ থেকে?
  • A ১ নম্বর পদ (লুইপাদ)
  • B ২ নম্বর পদ (কাহ্নপাদ)
  • C ৫ নম্বর পদ (সরহপাদ)
  • D ৭ নম্বর পদ (ভুসুকুপাদ)
✅ সঠিক উত্তর: A — লুইপাদ রচিত চর্যাপদের প্রথম পদ "কাআ তরুবর পঞ্চবি ডাল" দিয়ে শুরু হয়। "কাআ" = শরীর, "তরুবর" = বৃক্ষ, "পঞ্চবি ডাল" = পাঁচটি শাখা (পঞ্চ ইন্দ্রিয়)।
২১
চর্যাপদের সাথে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আর কোন গ্রন্থ আবিষ্কার করেন?
  • A কৃষ্ণদাসের কড়চা ও শ্রীচৈতন্য-চরিতামৃত
  • B দোহাকোষ, সরহপাদের দোহা ও ডাকার্ণব
  • C গীতগোবিন্দ ও মনসামঙ্গল
  • D বৈষ্ণব পদাবলী ও শাক্ত পদাবলী
✅ সঠিক উত্তর: B — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের সাথে দোহাকোষ (সরহপাদ), সরহপাদের দোহা ও ডাকার্ণব আবিষ্কার করেন।
২২
চর্যাপদের রচয়িতাদের কী বলা হয়?
  • A বৈষ্ণব কবি
  • B মঙ্গলকাব্যের কবি
  • C সিদ্ধাচার্য
  • D তন্ত্রাচার্য
✅ সঠিক উত্তর: C — চর্যাপদের রচয়িতাদের "সিদ্ধাচার্য" বলা হয়। এঁরা বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের সাধক ছিলেন।
২৩
চর্যাপদে কোন সম্প্রদায়ের কথা বিশেষভাবে উল্লিখিত হয়েছে?
  • A ডোম, শবর, কাপালিক
  • B ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বণিক
  • C রাজপুত, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য
  • D জেলে, কৃষক, তাঁতি
✅ সঠিক উত্তর: A — চর্যাপদে ডোম, শবর, কাপালিক সম্প্রদায়ের উল্লেখ বিশেষভাবে পাওয়া যায়। ডোম্বীপাদ ও শবরপাদের পদে এসব সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র ধরা আছে।
২৪
চর্যাপদকে প্রথম কীভাবে বর্ণনা করা হয়েছে প্রকাশনায়?
  • A বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন
  • B হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা
  • C বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধনাগীত
  • D চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ের বাংলা পাঠ
✅ সঠিক উত্তর: B — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বইটি প্রকাশ করেন "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা" নামে।
২৫
সরহপাদ চর্যাপদে কতটি পদ রচনা করেন?
  • A ২টি
  • B ৩টি
  • C ৪টি
  • D ৫টি
✅ সঠিক উত্তর: C — সরহপাদ ৪টি পদ রচনা করেছেন। তিনি সর্বপ্রাচীন সিদ্ধ এবং দোহাকোষেরও রচয়িতা।
২৬
চর্যাপদের কোন গবেষক তিব্বতীয় অনুবাদ ব্যবহার করে গবেষণা করেন?
  • A সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • B হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • C প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  • D নীলরতন সেন
✅ সঠিক উত্তর: C — প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতীয় অনুবাদ ব্যবহার করে গবেষণা করেন এবং মূল সংকলনে ৫১টি পদ ছিল বলে জানান।
২৭
কাহ্নপাদের অপর নাম কী?
  • A শান্তিদেব
  • B বিরূপাক্ষ
  • C কৃষ্ণাচার্য
  • D নাগার্জুন
✅ সঠিক উত্তর: C — কাহ্নপাদের অপর নাম কৃষ্ণাচার্য বা কৃষ্ণপাদ।
২৮
চর্যাপদে প্রকৃতির বর্ণনায় সবচেয়ে বিখ্যাত কবি কে?
  • A কাহ্নপাদ
  • B ভুসুকুপাদ
  • C সরহপাদ
  • D লুইপাদ
✅ সঠিক উত্তর: B — ভুসুকুপাদ প্রকৃতির বর্ণনায় অগ্রণী। তাঁর পদগুলিতে বাংলার নদী, ধানক্ষেত, পাখি ও মৌসুমের জীবন্ত ছবি আছে।
২৯
চর্যাপদের ভাষা বিচারে উড়িয়া ভাষার দাবি প্রধানত কোন যুক্তিতে?
  • A কিছু শব্দ ও ছন্দরীতি উড়িয়ার সাথে মিল আছে
  • B পাণ্ডুলিপি উড়িশ্যার মঠে পাওয়া গেছে
  • C সব রচয়িতা উড়িশ্যার বাসিন্দা ছিলেন
  • D উড়িয়া পণ্ডিত আবিষ্কার করেছেন
✅ সঠিক উত্তর: A — উড়িয়া পণ্ডিতরা কিছু শব্দের মিলকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরেন, তবে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে এটি বাংলা বলে প্রমাণিত।
৩০
নিচের কোনটি চর্যাপদের বিষয়বস্তু নয়?
  • A বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনার পথ
  • B তৎকালীন বাংলার সামাজিক চিত্র
  • C প্রকৃতি বর্ণনা ও রূপক ব্যবহার
  • D রাজা ও যুদ্ধের বর্ণনা
✅ সঠিক উত্তর: D — চর্যাপদে রাজা বা যুদ্ধের বর্ণনা নেই। এটি সাধনার গান, সমাজচিত্র ও প্রকৃতির রূপক ব্যবহার করে ধর্মীয় বার্তা দেয়।

WBSSC SLST বাংলা পরীক্ষার জন্য চর্যাপদ কৌশল

পরীক্ষায় ভালো করতে শুধু তথ্য জানা যথেষ্ট নয় — কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে সেটাও জানা দরকার।

🎯

সংখ্যাগুলো মুখস্থ করুন

৪৬½ পদ, ২৩ রচয়িতা, ১৩টি কাহ্নপাদের পদ, ৮টি ভুসুকুপাদের, ৪৮টি রাগ — এই সংখ্যাগুলো থেকে প্রতিবার প্রশ্ন আসে।

📅

তারিখ ও বছর মিলিয়ে নিন

আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬, ODBL ১৯২৬ — এই তিনটি বছর গুলিয়ে যাওয়া খুবই সাধারণ ভুল।

🔄

ভাষার দাবিকারীদের মিলিয়ে নিন

কে কী বলেছেন — শাস্ত্রী বলেছেন "আলো-আঁধারি", সুনীতিকুমার বলেছেন "Old Bengali", মুনিদত্ত বলেছেন "সন্ধ্যাভাষা"।

রচয়িতার ক্রম মনে রাখুন

কাহ্নপাদ (১৩) → ভুসুকুপাদ (৮) → সরহপাদ (৪) → বিরুআপাদ (৩) → বাকি সবার ১–২টি করে।

🧠 মনে রাখার কৌশল: ছড়া-পদ্ধতি

  • "হরপ্রসাদ গেলেন নেপাল, সাতে শূন্যে সাতেই সাল" → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে আবিষ্কার
  • "ষোলে প্রকাশ, বঙ্গীয় পরিষদ, লেখা পড়ল সব সমস্ত" → ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ
  • "কাহ্নের তেরো, ভুসুকুর আট, সরহের চার, বাকিরা হাট" → পদ সংখ্যা মনে রাখার সহজ ছড়া
  • "সাড়ে ছেচল্লিশ মেলে না ৫১, তেইশ নম্বর উধাও হলো" → ৫১ থেকে ৪৬½ কেন?

চর্যাপদ থেকে পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের ধরন

WBSSC SLST বাংলা পরীক্ষায় সাধারণত নিম্নলিখিত ধরনের প্রশ্ন আসে:

  • আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের বছর
  • মোট পদের সংখ্যা ও রচয়িতার সংখ্যা
  • সর্বোচ্চ পদ রচয়িতার নাম ও পদ সংখ্যা
  • ভাষা বিষয়ক পণ্ডিতদের মতামত
  • প্রথম পদের রচয়িতা
  • প্রকাশনার নাম ও বছর
  • বিখ্যাত লাইনের রচয়িতা নির্ণয়
  • ODBL গ্রন্থের পরিচয়

MyTestSeries-এর পরীক্ষা প্রস্তুতি প্যাকেজ

আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যান — আমাদের বিশেষজ্ঞ তৈরি Mock Test ও Study Package দিয়ে।

⭐ সেরা বিক্রি

WBSSC Group C & D Complete Pack

২০+ Full Length Mock Test, বিষয়ভিত্তিক MCQ, বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও পারফরম্যান্স অ্যানালিটিক্স।

এখনই দেখুন →
🎯 SLST বিশেষ

বিনামূল্যে Registration + Mock Test

চর্যাপদ সহ বাংলা সাহিত্যের পূর্ণ সিলেবাসে Free Mock Test, Daily Questions ও Expert Notes।

✅ Free Register করুন
📚 নোটস সিরিজ

WB Upper Primary TET — Bengali

ভাষা বোধগম্যতা + শিক্ষাবিজ্ঞান সহ সম্পূর্ণ বাংলা সিলেবাসের নোট ও MCQ সিরিজ।

সিলেবাস দেখুন →
👨‍🏫

Ranjan Malakar — শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও পরীক্ষা পরামর্শদাতা

পশ্চিমবঙ্গ সরকারি পরীক্ষা — WBSSC, WBMSC, WB TET, WBCS — বিশেষজ্ঞ। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের সাফল্যের পথ দেখিয়ে আসছেন। MyTestSeries-এর মাধ্যমে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী উপকৃত হচ্ছেন।

⚠️ Disclaimer: এই ব্লগের তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। WBSSC-এর অফিসিয়াল নোটিফিকেশন ও সিলেবাস সবসময় wbssc.wb.gov.in থেকে যাচাই করুন। পরীক্ষার তারিখ, যোগ্যতা বা অন্য তথ্যের জন্য সর্বদা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন।

Get Daily Free Questions

Practice Faster. Score Higher.

Download Our App

Practice Faster. Score Higher. Install the App Now.

Categories

Test Series