চর্যাপদ — সম্পূর্ণ নোট ও MCQ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনের পূর্ণ বিশ্লেষণ
WBSSC SLST বাংলা পরীক্ষায় চর্যাপদ থেকে প্রতিবার ৩–৫টি প্রশ্ন আসে। এই একটি ব্লগে পাবেন — আবিষ্কারের ইতিহাস, রচয়িতা তালিকা, ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য, ৩০+ MCQ এবং পরীক্ষার জন্য বিশেষ মনে রাখার কৌশল।
চর্যাপদ কী? — বাংলা সাহিত্যের প্রথম আলো
বাংলা ভাষায় যদি কোনো একটিই প্রশ্ন করা হয় — "এই ভাষার সাহিত্যের শুরু কোথায়?" — তাহলে উত্তরটা এক কথায়: চর্যাপদ।
চর্যাপদ হলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত ধর্মীয় গান বা পদের সংকলন। "চর্যা" শব্দের অর্থ সাধনার পথ বা আচরণ — আর "পদ" মানে গান বা ছন্দোবদ্ধ রচনা। তাই চর্যাপদ মানে হলো সাধনার পথে রচিত গীত।
⏰ রচনাকাল: আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। তবে অধিকাংশ পণ্ডিত ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীকে মূল রচনাকাল বলে মনে করেন।
📜 ধর্মীয় পটভূমি: এগুলো বজ্রযান বা সহজযান বৌদ্ধ ধর্মের সাধকদের (সিদ্ধাচার্যদের) রচনা।
🔍 বিশেষত্ব: এই পদগুলো ধর্মীয় সাধনার বাণী হলেও, এর মধ্যে দিয়ে তৎকালীন বাংলার সমাজজীবন, জীবিকা, লোকাচার — সব কিছুর ছবি ভেসে ওঠে।
এই পদগুলির ভাষা সাংকেতিক ও রহস্যময়। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় সাধারণ জীবনের গল্প, কিন্তু ভেতরে লুকিয়ে আছে গভীর তান্ত্রিক সাধনার বার্তা। এই বিশেষ রচনারীতিকে বলে সন্ধ্যাভাষা।
সাহিত্যিক গুরুত্ব
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন। এর আগের কোনো বাংলা রচনা পাওয়া যায়নি।
গীতিধর্মী রচনা
এগুলো পদ্যে রচিত গান, নির্দিষ্ট রাগ-রাগিণীতে গাওয়া হতো। মোট ৪৮টি রাগের উল্লেখ পাওয়া যায়।
সন্ধ্যাভাষা
দ্বিস্তরীয় অর্থ বহনকারী ভাষারীতি — বাহ্যিক অর্থ ভিন্ন, আধ্যাত্মিক অর্থ ভিন্ন।
ঐতিহাসিক দলিল
৮ম–১২শ শতাব্দীর বাংলার সমাজ, পেশা ও জীবনযাত্রার জীবন্ত দলিল।
চর্যাপদের আবিষ্কার — হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অক্লান্ত অনুসন্ধান
চর্যাপদ নিজে থেকে আমাদের কাছে আসেনি। একজন অক্লান্ত গবেষকের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা বাংলা সাহিত্যের এই আদি নিদর্শন পাচ্ছি।
📌 পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে বলেছেন "আলো-আঁধারি ভাষা" — এটি SLST-তে বারবার জিজ্ঞাসা করা হয়।
🔬 গবেষকদের মতামত একনজরে
| গবেষক | অবদান / মতামত |
|---|---|
| হরপ্রসাদ শাস্ত্রী | আবিষ্কার ও প্রকাশ; ভাষাকে "আলো-আঁধারি" বললেন। নেপাল থেকে পাণ্ডুলিপি উদ্ধার (১৯০৭)। |
| সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় | ODBL গ্রন্থে প্রমাণ করলেন ভাষাটি বাংলার আদিরূপ। রচনাকাল ৯৫০–১২০০ খ্রি. বললেন। |
| মুহম্মদ শহীদুল্লাহ | রচনাকাল ৬৫০–১২০০ খ্রি. বললেন; ভাষার সাথে পালি-প্রাকৃতের যোগ দেখালেন। |
| প্রবোধচন্দ্র বাগচী | তিব্বতী অনুবাদ থেকে গবেষণা করলেন; মোট পদের সংখ্যা ৫১ ছিল বললেন। |
| শশিভূষণ দাশগুপ্ত | সন্ধ্যাভাষার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দিলেন; বৌদ্ধ সাহিত্যের ব্যাপক গবেষণা করলেন। |
| নীলরতন সেন | চর্যাপদের সামাজিক ইতিহাসের দিক উন্মোচন করলেন। |
🎯 WBSSC SLST বাংলা Mock Test দিন — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!
চর্যাপদ সহ বাংলা সাহিত্যের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর Free Mock Test, Previous Year Questions ও বিশদ ব্যাখ্যা পাচ্ছেন MyTestSeries-এ।
✅ এখনই Free Registration করুন 📦 Test Series দেখুনচর্যাপদের রচয়িতা — ২৩ জন সিদ্ধাচার্য
চর্যাপদ একজনের রচনা নয় — এটি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত পদের সংকলন। মোট ২৩ জন রচয়িতা-র পদ এতে পাওয়া যায়।
💡 মনে রাখুন: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপাদ এবং সবচেয়ে বেশি পদ (১৩টি) রচনা করেছেন কাহ্নপাদ (কৃষ্ণাচার্য)।
প্রধান রচয়িতাদের পদ সংখ্যা
অন্য নাম: কৃষ্ণাচার্য
শান্তিদেব বলেও মত আছে
দোহাকোষ রচয়িতা
আদি সিদ্ধাচার্য
| # | রচয়িতার নাম | পদ সংখ্যা | বিশেষ উল্লেখ |
|---|---|---|---|
| ১ | কাহ্নপাদ / কৃষ্ণাচার্য | ১৩ | সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা |
| ২ | ভুসুকুপাদ | ৮ | প্রকৃতি ও দেশজ চিত্রের জন্য বিখ্যাত |
| ৩ | সরহপাদ | ৪ | সর্বপ্রাচীন সিদ্ধ, দোহাকোষ রচয়িতা |
| ৪ | শবরপাদ | ২ | শবর শিকারীর রূপক ব্যবহার |
| ৫ | লুইপাদ | ২ | প্রথম পদের (পদ নং ১) রচয়িতা |
| ৬ | বিরুআপাদ | ৩ | — |
| ৭ | কুক্কুরীপাদ | ২ | — |
| ৮ | চাটিলপাদ | ১ | — |
| ৯ | গুণ্ডরীপাদ | ২ | — |
| ১০ | ডোম্বীপাদ | ২ | ডোম সম্প্রদায়ের উল্লেখ |
| ১১ | তান্তীপাদ | ১ | — |
| ১২ | দারিকপাদ | ১ | — |
| ১৩ | ধামপাদ | ১ | — |
| ১৪ | পাদমবজ্রপাদ | ১ | — |
| ১৫ | মহীধরপাদ | ১ | — |
| ১৬ | ভাদেপাদ | ১ | — |
| ১৭ | মেদনপাদ | ১ | — |
| ১৮ | বঙ্গীপাদ | ১ | — |
| ১৯ | সান্তিপাদ | ১ | — |
| ২০ | আজদেবপাদ | ১ | — |
| ২১ | জয়নন্দীপাদ | ১ | — |
| ২২ | লাড়ীডোম্বীপাদ | ১ | — |
| ২৩ | ঢেণ্ঢণপাদ | ১ | — |
চর্যাপদের ভাষা — বিতর্ক ও সিদ্ধান্ত
চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বাংলা, উড়িয়া, হিন্দি, অসমিয়া — বিভিন্ন ভাষার পণ্ডিতরা দাবি করেছেন। এই বিতর্কটি SLST পরীক্ষার একটি প্রিয় বিষয়।
🏆 চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে দেখিয়েছেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলার প্রাচীনতম রূপ — অর্থাৎ আদি-মধ্য বাংলা বা "Old Bengali"।
বিভিন্ন পণ্ডিতের মত
| পণ্ডিত / গবেষক | তাঁদের মত | যুক্তি |
|---|---|---|
| হরপ্রসাদ শাস্ত্রী | আলো-আঁধারি ভাষা | ভাষাটি বাংলার মতো, তবে রহস্যাবৃত |
| সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় | পুরনো বাংলা (Old Bengali) | ধ্বনিতত্ত্ব ও ব্যাকরণগত বিশ্লেষণে বাংলার আদিরূপ প্রমাণিত |
| মুহম্মদ শহীদুল্লাহ | প্রাচীন বাংলা ভাষা | বাংলা, অসমিয়া ও মৈথিলির মিশ্র ভাষা |
| উড়িয়া পণ্ডিতরা | পুরনো উড়িয়া | কিছু উড়িয়া শব্দের উপস্থিতি |
| হিন্দি পণ্ডিতরা | আদি অপভ্রংশ | হিন্দির সাথে মিল দাবি করেন |
ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য
- সংস্কৃত, পালি ও প্রাকৃতের শব্দ মিলিয়ে তৈরি অপভ্রংশ ভাষা
- আধুনিক বাংলার অনেক শব্দ ও ক্রিয়ারূপের প্রাচীন রূপ খুঁজে পাওয়া যায়
- বাক্যের গঠন অনেকটাই আধুনিক বাংলার মতো (কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া)
- সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত — দ্বিস্তরীয় অর্থ বহন করে
- তিব্বতীয় ভাষায় মুনিদত্তের সংস্কৃত টীকা পাওয়া গেছে
⭐ পরীক্ষায় বারবার জিজ্ঞাসা করা তথ্য
- চর্যাপদের ভাষাকে "আলো-আঁধারি" বলেছেন → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- বাংলা ভাষার আদিরূপ প্রমাণ করেছেন → সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (ODBL গ্রন্থে)
- চর্যাপদের ভাষাকে "সন্ধ্যাভাষা" বলেছেন → মুনিদত্ত (টীকাকার)
- রচনাকাল (সুনীতিকুমার মতে) → ৯৫০–১২০০ খ্রি.
- রচনাকাল (শহীদুল্লাহ মতে) → ৬৫০–১২০০ খ্রি.
চর্যাপদের বিষয়বস্তু ও সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য
চর্যাপদের বিষয়বস্তু একটিই — বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনা। কিন্তু যেভাবে তা প্রকাশিত হয়েছে, সেটি চর্যাপদকে কেবল ধর্মগ্রন্থ নয়, একটি সত্যিকারের সাহিত্যকর্মেও পরিণত করেছে।
প্রকৃতি চিত্র
পাহাড়, নদী, বন, পাখি — নিসর্গের ছবি দিয়ে সাধনার কথা বলা হয়েছে। ভুসুকুপাদ এই ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য।
সমাজজীবন
ডোম, শবর, কুম্ভকার, নৌকাচালক — নানা পেশার মানুষের জীবনচিত্র পাওয়া যায়।
রূপকধর্মী প্রকাশ
সন্ধ্যাভাষায় বাইরের রূপক আর ভেতরের অধ্যাত্ম-সাধনার বার্তা একই সাথে বহন করে।
সংগীতধর্মী
৪৮টি রাগ-রাগিণীতে গাওয়া হতো। ছন্দ ও তাল এই পদের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
চর্যাপদে সমাজজীবনের চিত্র
চর্যাপদ পড়লে ৮ম–১২শ শতাব্দীর বাংলার একটা জীবন্ত ছবি পাওয়া যায়। যেমন:
- শবরপাদের পদে শবর শিকারীর জীবনচিত্র — বনে মৃগ শিকার, পাহাড়ের কোলে জীবনযাপন
- ডোম্বীপাদের পদে ডোম সম্প্রদায়ের জীবন ও তাদের সাথে সিদ্ধাচার্যের সম্পর্ক
- ভুসুকুপাদের পদে কৃষক ও চাষের ছবি — জমি চাষ, ধান কাটা, নৌকা চালানো
- তৎকালীন বাংলায় নারীদের অবস্থান, গৃহস্থালি ও পারিবারিক জীবনের ইঙ্গিত
📝 একটি বিখ্যাত উক্তি সম্পর্কে: লুইপাদের প্রথম পদে আছে — "কাআ তরুবর পঞ্চবি ডাল" — অর্থাৎ শরীর রূপী গাছের পাঁচটি শাখা (পঞ্চ ইন্দ্রিয়)। এই রূপক বৌদ্ধ সাধনার মূল ধারণাকে প্রকাশ করে। চর্যাপদের যে কোনো একটি বিখ্যাত লাইন পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হতে পারে।
📝 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — সম্পূর্ণ নোট সিরিজ
চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগ পর্যন্ত — WBSSC SLST বাংলার পূর্ণ সিলেবাসের জন্য MyTestSeries-এ আছে সম্পূর্ণ নোট ও MCQ সিরিজ। আজই Free Registration করে আনলিমিটেড অ্যাক্সেস পান।
🚀 বিনামূল্যে যোগ দিন এখনইSLST পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য তথ্য — একসাথে
⭐ এই তথ্যগুলো মুখস্থ না করলেই নয়
- চর্যাপদ আবিষ্কার করেন → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭ সালে, নেপাল থেকে)
- প্রকাশিত হয় → ১৯১৬ সালে, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
- মোট প্রাপ্ত পদ → ৪৬½ (সাড়ে ছেচল্লিশ)
- মূল সংকলনে পদ ছিল → ৫১টি (মুনিদত্তের টীকা থেকে জানা যায়)
- সবচেয়ে বেশি পদ → কাহ্নপাদ (১৩টি)
- প্রথম পদের রচয়িতা → লুইপাদ
- মোট রচয়িতা → ২৩ জন
- ভাষার নাম (শাস্ত্রী মতে) → আলো-আঁধারি ভাষা
- ভাষার নাম (সুনীতিকুমার মতে) → পুরনো বাংলা (Old Bengali)
- বাংলা প্রমাণের গ্রন্থ → ODBL (সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ১৯২৬)
- টীকাকার → মুনিদত্ত (সংস্কৃত টীকা রচনা করেন)
- তিব্বতীয় অনুবাদক → কীর্তিচন্দ্র
- সংকলনের নাম → চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
- পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে → নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগারে
- রাগের সংখ্যা → ৪৮টি
- অনুপস্থিত পদ → ২৩ নম্বর পদ (পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া যায়নি)
চর্যাপদ ও অন্যান্য আবিষ্কৃত গ্রন্থ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের সাথে আরও তিনটি গ্রন্থ আবিষ্কার করেন:
| গ্রন্থের নাম | রচয়িতা | বিষয় |
|---|---|---|
| চর্যাচর্যবিনিশ্চয় | বিভিন্ন সিদ্ধাচার্য | বৌদ্ধ সাধনার গান — বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন |
| দোহাকোষ | সরহপাদ | বৌদ্ধ দর্শনের সংক্ষিপ্ত কবিতা |
| সরহপাদের দোহা | সরহপাদ | তান্ত্রিক সাধনার বার্তা |
| ডাকার্ণব | বিভিন্ন | লোকজ্ঞান ও সংকেত ভাষার সংকলন |
চর্যাপদ — ৩০+ গুরুত্বপূর্ণ MCQ (WBSSC SLST স্তরের)
📌 কীভাবে অনুশীলন করবেন: প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর নিজে ভেবে বলুন, তারপর সবুজ রঙে চিহ্নিত সঠিক উত্তরটি মিলিয়ে দেখুন। নিচে ব্যাখ্যাও দেওয়া আছে।
WBSSC SLST বাংলা পরীক্ষার জন্য চর্যাপদ কৌশল
পরীক্ষায় ভালো করতে শুধু তথ্য জানা যথেষ্ট নয় — কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে সেটাও জানা দরকার।
সংখ্যাগুলো মুখস্থ করুন
৪৬½ পদ, ২৩ রচয়িতা, ১৩টি কাহ্নপাদের পদ, ৮টি ভুসুকুপাদের, ৪৮টি রাগ — এই সংখ্যাগুলো থেকে প্রতিবার প্রশ্ন আসে।
তারিখ ও বছর মিলিয়ে নিন
আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬, ODBL ১৯২৬ — এই তিনটি বছর গুলিয়ে যাওয়া খুবই সাধারণ ভুল।
ভাষার দাবিকারীদের মিলিয়ে নিন
কে কী বলেছেন — শাস্ত্রী বলেছেন "আলো-আঁধারি", সুনীতিকুমার বলেছেন "Old Bengali", মুনিদত্ত বলেছেন "সন্ধ্যাভাষা"।
রচয়িতার ক্রম মনে রাখুন
কাহ্নপাদ (১৩) → ভুসুকুপাদ (৮) → সরহপাদ (৪) → বিরুআপাদ (৩) → বাকি সবার ১–২টি করে।
🧠 মনে রাখার কৌশল: ছড়া-পদ্ধতি
- "হরপ্রসাদ গেলেন নেপাল, সাতে শূন্যে সাতেই সাল" → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে আবিষ্কার
- "ষোলে প্রকাশ, বঙ্গীয় পরিষদ, লেখা পড়ল সব সমস্ত" → ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ
- "কাহ্নের তেরো, ভুসুকুর আট, সরহের চার, বাকিরা হাট" → পদ সংখ্যা মনে রাখার সহজ ছড়া
- "সাড়ে ছেচল্লিশ মেলে না ৫১, তেইশ নম্বর উধাও হলো" → ৫১ থেকে ৪৬½ কেন?
চর্যাপদ থেকে পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের ধরন
WBSSC SLST বাংলা পরীক্ষায় সাধারণত নিম্নলিখিত ধরনের প্রশ্ন আসে:
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের বছর
- মোট পদের সংখ্যা ও রচয়িতার সংখ্যা
- সর্বোচ্চ পদ রচয়িতার নাম ও পদ সংখ্যা
- ভাষা বিষয়ক পণ্ডিতদের মতামত
- প্রথম পদের রচয়িতা
- প্রকাশনার নাম ও বছর
- বিখ্যাত লাইনের রচয়িতা নির্ণয়
- ODBL গ্রন্থের পরিচয়
🏆 আজই শুরু করুন আপনার WBSSC SLST যাত্রা!
MyTestSeries-এ আছে WBSSC SLST বাংলার জন্য সম্পূর্ণ Mock Test Series, Previous Year Questions, ও Expert Notes। পরীক্ষা দেওয়ার আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন বিনামূল্যে।
🎓 বিনামূল্যে Mock Test দিন 📋 WBSSC সম্পর্কে জানুনMyTestSeries-এর পরীক্ষা প্রস্তুতি প্যাকেজ
আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যান — আমাদের বিশেষজ্ঞ তৈরি Mock Test ও Study Package দিয়ে।
WBSSC Group C & D Complete Pack
২০+ Full Length Mock Test, বিষয়ভিত্তিক MCQ, বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও পারফরম্যান্স অ্যানালিটিক্স।
এখনই দেখুন →বিনামূল্যে Registration + Mock Test
চর্যাপদ সহ বাংলা সাহিত্যের পূর্ণ সিলেবাসে Free Mock Test, Daily Questions ও Expert Notes।
✅ Free Register করুনWB Upper Primary TET — Bengali
ভাষা বোধগম্যতা + শিক্ষাবিজ্ঞান সহ সম্পূর্ণ বাংলা সিলেবাসের নোট ও MCQ সিরিজ।
সিলেবাস দেখুন →⏰ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না!
WBSSC SLST বাংলা পরীক্ষায় শুধু চর্যাপদ নয় — সম্পূর্ণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ব্যাকরণ ও ভাষাবিজ্ঞান আয়ত্ত করতে হবে। MyTestSeries-এ বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন এবং আজই শুরু করুন আপনার প্রস্তুতি।
🎯 বিনামূল্যে যোগ দিন — আজই! 📋 অন্যান্য Syllabus দেখুনRanjan Malakar — শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও পরীক্ষা পরামর্শদাতা
পশ্চিমবঙ্গ সরকারি পরীক্ষা — WBSSC, WBMSC, WB TET, WBCS — বিশেষজ্ঞ। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের সাফল্যের পথ দেখিয়ে আসছেন। MyTestSeries-এর মাধ্যমে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী উপকৃত হচ্ছেন।


