ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ও টেকটোনিক প্লেট | বাংলা নোট ও MCQ

Physical Geography • Bengali Complete Notes

ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ও টেকটোনিক আন্দোলন (Earthquakes, Volcanoes and Tectonic Movements)

WBPSC, WBCS, Clerkship, Police, TET, CTET, SSC ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি, প্লেট টেকটোনিক্স এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তি সম্পর্কে সহজ ভাষায় সম্পূর্ণ নোট।

সম্পূর্ণ বাংলা নোট
১০টি MCQ ও ব্যাখ্যা
পরীক্ষামুখী রিভিশন

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন — পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করুন

এক নজরে উত্তর: ভূমিকম্প হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরে সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ মুক্ত হওয়ার ফলে সৃষ্ট ভূমির কম্পন। আগ্নেয়গিরি হলো এমন একটি ভূতাত্ত্বিক ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ম্যাগমা, গ্যাস ও অন্যান্য পদার্থ পৃথিবীর পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসতে পারে। টেকটোনিক আন্দোলন হলো পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ারীয় প্লেটগুলির চলাচল, যার সঙ্গে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ও পর্বত গঠনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

১. ভূমিকম্প (Earthquake): সংজ্ঞা ও ধারণা

পৃথিবীর ভূত্বক ও উপরের দৃঢ় অংশে সঞ্চিত চাপ হঠাৎ মুক্ত হলে শক্তি তরঙ্গের আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে। এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়। অধিকাংশ উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প টেকটোনিক প্লেটের সীমানা বা সক্রিয় ফল্টের সঙ্গে সম্পর্কিত। আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ, ভূমিধস এবং কিছু মানবসৃষ্ট কার্যকলাপের কারণেও কম্পন সৃষ্টি হতে পারে।

১.১ ভূমিকম্পের প্রধান কারণ

  • টেকটোনিক প্লেটের চলাচল: প্লেটের সংঘর্ষ, বিচ্ছেদ বা পাশাপাশি সরে যাওয়ার ফলে শিলায় চাপ জমে।
  • ফল্ট বা চ্যুতির সঞ্চালন: শিলাস্তরের দুই অংশের মধ্যে হঠাৎ সরে যাওয়ার ফলে শক্তি মুক্ত হয়।
  • আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ: ম্যাগমা ও গ্যাসের চলাচল স্থানীয় ভূকম্পন ঘটাতে পারে।
  • ভূগর্ভস্থ ধস: গুহা বা খনির ছাদ ধসে ছোট আকারের কম্পন হতে পারে।
  • কিছু মানবসৃষ্ট কার্যকলাপ: খনি, জলাধার বা ভূগর্ভস্থ তরল ইনজেকশনের মতো কিছু কাজ নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ভূকম্পন ঘটাতে পারে।

১.২ ভূমিকম্পের কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র

ভূমিকম্পের কেন্দ্র (Focus / Hypocentre)

পৃথিবীর অভ্যন্তরের যে স্থান থেকে ভূমিকম্পের শক্তি মুক্ত হওয়া শুরু হয়, তাকে কেন্দ্র বা ফোকাস বলে।

উপকেন্দ্র (Epicentre)

ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের অবস্থানকে উপকেন্দ্র বলে। উপকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় কম্পন তীব্র হতে পারে, তবে প্রকৃত ক্ষতি নির্ভর করে গভীরতা, ভূতত্ত্ব ও ভবনের গঠনের ওপরও।

১.৩ ভূমিকম্পের গভীরতার ভিত্তিতে শ্রেণিবিভাগ

ধরন আনুমানিক গভীরতা পরীক্ষার জন্য তথ্য
অগভীর ভূমিকম্প (Shallow-focus) ০–৭০ কিমি ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে।
মধ্যবর্তী ভূমিকম্প (Intermediate-focus) ৭০–৩০০ কিমি অগভীর ভূমিকম্পের তুলনায় গভীরে ঘটে।
গভীর ভূমিকম্প (Deep-focus) ৩০০–৭০০ কিমি প্রধানত সাবডাকশন অঞ্চলে দেখা যায়।

মনে রাখুন: ভূমিকম্পের গভীরতা এবং তার মাত্রা (Magnitude) দুটি আলাদা বিষয়। গভীর ভূমিকম্প সবসময় বেশি শক্তিশালী নয়; আবার অগভীর ভূমিকম্প তুলনামূলক কম মাত্রার হলেও জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে বড় ক্ষতি করতে পারে।


২. ভূকম্পীয় তরঙ্গ (Seismic Waves)

ভূমিকম্পের সময় মুক্ত হওয়া শক্তি বিভিন্ন ধরনের তরঙ্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভূকম্পীয় তরঙ্গের আচরণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গঠন, স্তর এবং শিলার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পান।

তরঙ্গ প্রকৃতি গতি ও মাধ্যম পরীক্ষার তথ্য
P-wave (Primary) অনুদৈর্ঘ্য বা সংকোচন-প্রসারণ তরঙ্গ সাধারণত দ্রুততম; কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় মাধ্যমে চলতে পারে সিসমোগ্রাফে সাধারণত প্রথমে ধরা পড়ে।
S-wave (Secondary) আড় তরঙ্গ বা শিয়ার তরঙ্গ কঠিন মাধ্যমে চলে; তরল মাধ্যমে চলতে পারে না সাধারণত P-wave-এর পরে পৌঁছায়।
Surface waves ভূপৃষ্ঠ বরাবর চলা তরঙ্গ ভূপৃষ্ঠের কাছে ছড়িয়ে পড়ে অনেক ভূমিকম্পে ভবন ও অবকাঠামোর ক্ষতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২.১ মাত্রা ও তীব্রতার পার্থক্য

  • Magnitude বা মাত্রা: ভূমিকম্পে মুক্ত শক্তির পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিমাপ। আধুনিক ভূকম্পবিদ্যায় Moment Magnitude Scale (Mw) বহুল ব্যবহৃত।
  • Intensity বা তীব্রতা: নির্দিষ্ট স্থানে কম্পনের অনুভূতি ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বোঝায়। এটি স্থানভেদে বদলাতে পারে।

পরীক্ষায় “Richter scale” শব্দটি ভূমিকম্পের মাত্রার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত। তবে সব ভূমিকম্পের জন্য আধুনিক বিজ্ঞানীরা শুধু Richter scale ব্যবহার করেন—এমন বলা সঠিক নয়। বড় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে Moment Magnitude Scale বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।


৩. আগ্নেয়গিরি (Volcano): সংজ্ঞা ও গঠন

পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত শিলা, গ্যাস ও অন্যান্য পদার্থ কোনো ফাটল বা নির্গমনপথ দিয়ে ভূপৃষ্ঠে পৌঁছালে আগ্নেয় কার্যকলাপ ঘটে। ভূপৃষ্ঠের নিচে গলিত শিলাকে ম্যাগমা (Magma) এবং ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসা গলিত শিলাকে লাভা (Lava) বলে। বারবার লাভা, ছাই ও অন্যান্য আগ্নেয় পদার্থ জমে অনেক আগ্নেয়গিরির শঙ্কু বা পাহাড় গঠিত হয়।

৩.১ আগ্নেয়গিরির প্রধান অংশ

  • ম্যাগমা চেম্বার: ভূগর্ভের সেই অঞ্চল যেখানে ম্যাগমা জমা থাকতে পারে।
  • নালি বা কন্ডুইট: যে পথে ম্যাগমা উপরের দিকে ওঠে।
  • মুখ বা ভেন্ট: যে ছিদ্র বা পথ দিয়ে লাভা, গ্যাস ও ছাই বেরিয়ে আসে।
  • ক্রেটার: আগ্নেয়গিরির মুখের কাছে থাকা বাটি-আকৃতির গহ্বর।
  • লাভা প্রবাহ: ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়া লাভা ঠান্ডা হয়ে আগ্নেয় শিলা তৈরি করতে পারে।

৩.২ সক্রিয়তা অনুসারে আগ্নেয়গিরি

সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (Active)

বর্তমানে অগ্ন্যুৎপাত করছে অথবা সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক সময়ে অগ্ন্যুৎপাতের প্রমাণ রয়েছে এবং ভবিষ্যৎ কার্যকলাপের সম্ভাবনা আছে। শ্রেণিবিভাগের সংজ্ঞা সংস্থা অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

সুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Dormant)

বর্তমানে অগ্ন্যুৎপাত না করলেও ভবিষ্যতে আবার সক্রিয় হতে পারে। দীর্ঘ সময় নীরব থাকা মানেই আগ্নেয়গিরি চিরতরে নিষ্ক্রিয় নয়।

বিলুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Extinct)

যার আবার অগ্ন্যুৎপাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম বলে বিবেচিত হয়। এই শ্রেণিবিভাগ ভূতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে করা হয়।

পরীক্ষার সতর্কতা

সক্রিয়, সুপ্ত ও বিলুপ্ত শব্দগুলির সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা সব পাঠ্যসূত্রে এক নয়। প্রশ্নে ব্যবহৃত পাঠ্যবই বা পরীক্ষার নির্ধারিত সংজ্ঞা অনুসরণ করুন।

৩.৩ আকৃতি ও গঠন অনুসারে আগ্নেয়গিরি

ধরন বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
শিল্ড আগ্নেয়গিরি (Shield) তুলনামূলক পাতলা ও সহজে প্রবাহিত লাভার বিস্তারে প্রশস্ত, ঢালু আকৃতি তৈরি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মাউনা লোয়া।
যৌগিক বা স্তরীভূত আগ্নেয়গিরি (Composite/Stratovolcano) লাভা ও পাইরোক্লাস্টিক পদার্থের স্তর জমে উঁচু শঙ্কু গঠিত হয়; অগ্ন্যুৎপাত বিস্ফোরক হতে পারে। জাপানের ফুজি পর্বত।
ছাই-শঙ্কু (Cinder cone) ছাই, স্কোরিয়া ও অন্যান্য খণ্ডিত আগ্নেয় পদার্থ জমে ছোট, খাড়া শঙ্কু তৈরি হয়। মেক্সিকোর পারিকুটিন।

৩.৪ আগ্নেয়গিরির উপকারিতা ও বিপদ

উপকারিতা: আগ্নেয় পদার্থ থেকে উর্বর মাটি তৈরি হতে পারে; ভূতাপীয় শক্তি, কিছু খনিজ সম্পদ এবং পর্যটনের সুযোগও সৃষ্টি হয়।

বিপদ: লাভা প্রবাহ, ছাই, বিষাক্ত গ্যাস, পাইরোক্লাস্টিক প্রবাহ, লাহার বা কাদাময় আগ্নেয় প্রবাহ এবং কিছু ক্ষেত্রে সুনামি প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি করতে পারে। বিপদের ধরন আগ্নেয়গিরি ও অগ্ন্যুৎপাতের বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে।


৪. টেকটোনিক আন্দোলন (Tectonic Movements)

পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ার একাধিক বৃহৎ ও ক্ষুদ্র প্লেটে বিভক্ত। এই প্লেটগুলি নিচের অপেক্ষাকৃত দুর্বল গুরুমণ্ডলীয় অঞ্চলের ওপর ভূতাত্ত্বিক সময়ে ধীরে চলাচল করে। প্লেটের চলাচলের সঙ্গে পৃথিবীর ভূত্বকের ভাঙন, ভাঁজ, পর্বত গঠন, সমুদ্রতল বিস্তার, ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ সম্পর্কিত।

৪.১ প্লেট চলাচলের প্রধান কারণ

  • পৃথিবীর অভ্যন্তরের তাপ থেকে উদ্ভূত ম্যান্টলের গতিশীলতা।
  • সাবডাকশন অঞ্চলে ঘন প্লেটের নিচের দিকে ডুবে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত Slab Pull।
  • উঁচু মধ্য-মহাসাগরীয় শৈলশিরা থেকে প্লেটের সরে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত Ridge Push।

প্লেট চলাচলকে শুধু ম্যান্টলের পরিচলন স্রোতের ফল বলে ব্যাখ্যা করলে বিষয়টি অতিসরলীকৃত হয়। বাস্তবে একাধিক বল ও প্রক্রিয়া একসঙ্গে কাজ করে।

৪.২ প্লেট সীমানার তিনটি প্রধান ধরন

সীমানা প্লেটের চলাচল সম্ভাব্য ভূ-প্রক্রিয়া উদাহরণ
অপসারী (Divergent / Constructive) দুটি প্লেট পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। ম্যাগমা উঠে নতুন ভূত্বক তৈরি করতে পারে; রিফট উপত্যকা ও মধ্য-মহাসাগরীয় শৈলশিরা গঠিত হতে পারে। মধ্য-আটলান্টিক শৈলশিরা।
অভিসারী (Convergent / Destructive) দুটি প্লেট পরস্পরের দিকে এগিয়ে আসে। সাবডাকশন, গভীর সমুদ্রখাত, আগ্নেয়গিরি ও পর্বত গঠন হতে পারে। দুটি মহাদেশীয় প্লেট সংঘর্ষে পর্বত গঠিত হতে পারে। ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষে হিমালয় গঠন।
রূপান্তরী বা পাশাপাশি সঞ্চালন (Transform / Conservative) দুটি প্লেট পাশ দিয়ে একে অপরের তুলনায় সরে যায়। ফল্টে চাপ জমে হঠাৎ মুক্ত হলে ভূমিকম্প হতে পারে; সাধারণত নতুন ভূত্বক সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান আন্দ্রেয়াস ফল্ট।

৪.৩ ভাঁজ পর্বত ও ফল্ট

প্লেটের সংঘর্ষে শিলাস্তরে চাপ সৃষ্টি হলে শিলা ভাঁজ খেতে পারে এবং পর্বত গঠিত হতে পারে। অন্যদিকে শিলা ভেঙে দুই অংশের আপেক্ষিক স্থানচ্যুতি ঘটলে ফল্ট বা চ্যুতি তৈরি হয়। ফল্ট বরাবর হঠাৎ সঞ্চালন ভূমিকম্পের একটি প্রধান কারণ।

পরীক্ষায় মনে রাখুন: অভিসারী সীমানা—সংঘর্ষ/সাবডাকশন; অপসারী সীমানা—প্লেট দূরে সরে যাওয়া; Transform সীমানা—পাশাপাশি সরে যাওয়া। তিন ধরনের সীমানাতেই ভূমিকম্প হতে পারে, তবে আগ্নেয়গিরি সব ধরনের সীমানায় সমানভাবে তৈরি হয় না।

৫. পৃথিবীর আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পের বণ্টন

বিশ্বের বহু ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি টেকটোনিক প্লেটের সীমানা বরাবর কেন্দ্রীভূত। প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা বিস্তৃত সক্রিয় অঞ্চলকে Pacific Ring of Fire বলা হয়। এই অঞ্চলে সাবডাকশন এবং প্লেট সীমানার জটিল মিথস্ক্রিয়ার কারণে বহু সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প ঘটে। তবে সব ভূমিকম্প প্লেট সীমানায় ঘটে না এবং সব আগ্নেয়গিরিও প্লেট সীমানায় অবস্থিত নয়।

  • প্রশান্ত মহাসাগরীয় বলয়: জাপান, ইন্দোনেশিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের বহু অংশে ভূকম্পন ও আগ্নেয় কার্যকলাপ গুরুত্বপূর্ণ।
  • মধ্য-মহাসাগরীয় শৈলশিরা: অপসারী প্লেট সীমানায় নতুন সমুদ্রতল গঠিত হয় এবং আগ্নেয় কার্যকলাপ দেখা যায়।
  • হিমালয় অঞ্চল: ভারতীয় প্লেট ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষের ফলে সক্রিয় ভূ-টেকটোনিক প্রক্রিয়া চলছে; অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ।
  • হটস্পট: কিছু আগ্নেয়গিরি প্লেট সীমানা থেকে দূরেও গঠিত হয়, যেমন হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের আগ্নেয়গিরি।

৬. ভারত ও হিমালয় অঞ্চলের ভূমিকম্প

ভারতীয় প্লেটের উত্তরমুখী চলাচল এবং ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে হিমালয় অঞ্চলে ভূত্বকের বিকৃতি ও চাপ সঞ্চিত হয়। এই প্রক্রিয়া হিমালয় ও উত্তর-পূর্ব ভারতের অনেক অংশকে ভূমিকম্পপ্রবণ করে তুলেছে। ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য অংশেও সক্রিয় ফল্ট ও আঞ্চলিক ভূতাত্ত্বিক অবস্থার কারণে ভূমিকম্প হতে পারে।

  • হিমালয় ও উত্তর-পূর্ব ভারত ভূমিকম্প-ঝুঁকির গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
  • আন্দামান-নিকোবর অঞ্চলে ভারতীয় প্লেট ও বার্মা/সুন্দা প্লেট ব্যবস্থার জটিল মিথস্ক্রিয়া রয়েছে; এখানে ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকি গুরুত্বপূর্ণ।
  • কচ্ছ অঞ্চল ২০০১ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত।
  • দক্ষিণ ভারতের বহু অঞ্চল তুলনামূলক কম সক্রিয় হলেও কোনো এলাকাকেই সম্পূর্ণ ভূমিকম্প-ঝুঁকিমুক্ত বলা যায় না।

ভারতে ভূমিকম্পপ্রবণতা বোঝার জন্য সরকারি seismic zoning map এবং National Centre for Seismology-এর হালনাগাদ তথ্য দেখা উচিত। ভূমিকম্পের ঝুঁকি নির্ধারণে শুধু অঞ্চল নয়, ভবনের নকশা, নির্মাণের মান, মাটির ধরন ও জনবসতির ঘনত্বও গুরুত্বপূর্ণ।


৭. ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির প্রভাব এবং নিরাপত্তা

৭.১ ভূমিকম্পের সম্ভাব্য প্রভাব

  • ভবন, সেতু, রাস্তা ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতি।
  • ভূমিধস, মাটির তরলীকরণ এবং ঢাল ধসের মতো পরোক্ষ বিপদ।
  • সমুদ্রতলের ভূমিকম্পে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সুনামি সৃষ্টি।
  • বিদ্যুৎ, জল, যোগাযোগ ও পরিবহণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত।

৭.২ ভূমিকম্পের সময় কী করবেন?

  • ঘরের ভিতরে থাকলে নিচু হয়ে বসুন, মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন—Drop, Cover, Hold On।
  • জানলা, কাচ, ভারী আলমারি ও পড়ে যেতে পারে এমন জিনিস থেকে দূরে থাকুন।
  • কম্পনের সময় সিঁড়ি বা লিফটের দিকে দৌড়াবেন না।
  • বাইরে থাকলে ভবন, বৈদ্যুতিক তার ও উঁচু কাঠামো থেকে দূরে খোলা জায়গায় যান।
  • কম্পন থামার পর ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে সতর্কতা ছাড়া প্রবেশ করবেন না এবং সরকারি নির্দেশ অনুসরণ করুন।

নিরাপত্তার নির্দেশনা স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

৭.৩ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময়

  • স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ অবিলম্বে অনুসরণ করুন।
  • ছাই পড়লে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন; প্রয়োজন হলে উপযুক্ত সুরক্ষামূলক মাস্ক ও চোখের সুরক্ষা ব্যবহার করুন।
  • লাভা প্রবাহ, উপত্যকা ও নদীখাতের কাছাকাছি বিপজ্জনক এলাকায় যাবেন না; লাহার দ্রুত নেমে আসতে পারে।
  • সরকারি সতর্কবার্তা ও জরুরি সম্প্রচার অনুসরণ করুন।

৮. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য

বিষয় প্রথম ধারণা পরীক্ষায় মনে রাখুন
Focus ও Epicentre Focus পৃথিবীর অভ্যন্তরে; Epicentre তার ঠিক উপরের ভূপৃষ্ঠে। অভ্যন্তর বনাম ভূপৃষ্ঠ।
Magnitude ও Intensity Magnitude শক্তির পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত; Intensity নির্দিষ্ট স্থানে অনুভূতি ও ক্ষতি বোঝায়। একটি ভূমিকম্পের Magnitude একটিই থাকে, কিন্তু বিভিন্ন স্থানে Intensity আলাদা হতে পারে।
Magma ও Lava Magma ভূগর্ভে; Lava ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসা গলিত শিলা। অবস্থানের ভিত্তিতে পার্থক্য।
Divergent ও Convergent Divergent-এ প্লেট দূরে সরে; Convergent-এ কাছে আসে। নতুন ভূত্বক সাধারণত Divergent সীমানায় তৈরি হয়।
Convergent ও Transform Convergent-এ প্লেট মুখোমুখি আসে; Transform-এ পাশাপাশি সরে। Transform সীমানায় ফল্টজনিত ভূমিকম্প গুরুত্বপূর্ণ।
Shield ও Composite volcano Shield প্রশস্ত ও ঢালু; Composite সাধারণত স্তরীভূত ও খাড়া। লাভার ধর্ম ও অগ্ন্যুৎপাতের ধরন আকৃতিকে প্রভাবিত করে।

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে সরকারি পরীক্ষার প্রস্তুতি এগিয়ে নিন

৯. ১০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ — উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ

নিচের প্রশ্নগুলি অনুশীলনের জন্য। এগুলি কোনো অনলাইন টেস্ট নয়; প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা সঙ্গে দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন ১. ভূমিকম্পের কেন্দ্র (Focus বা Hypocentre) বলতে কী বোঝায়?

ক) ভূপৃষ্ঠের সর্বোচ্চ স্থান

খ) পৃথিবীর অভ্যন্তরে যে স্থান থেকে ভূমিকম্পের শক্তি মুক্ত হয়

গ) আগ্নেয়গিরির মুখ

ঘ) দুটি প্লেটের মধ্যবর্তী সমুদ্রখাত

সঠিক উত্তর: খ)
ব্যাখ্যা: ভূমিকম্পের কেন্দ্র পৃথিবীর অভ্যন্তরে অবস্থিত। এই কেন্দ্রের ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের স্থানকে উপকেন্দ্র বা Epicentre বলা হয়।

প্রশ্ন ২. ভূমিকম্পের সময় সাধারণত কোন ভূকম্পীয় তরঙ্গ প্রথমে পৌঁছায়?

ক) S-wave

খ) Surface wave

গ) P-wave

ঘ) Tidal wave

সঠিক উত্তর: গ) P-wave
ব্যাখ্যা: P-wave বা Primary wave সাধারণত ভূকম্পীয় তরঙ্গগুলির মধ্যে দ্রুততম এবং সিসমোগ্রাফে প্রথমে ধরা পড়ে। এটি কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় মাধ্যমে চলতে পারে।

প্রশ্ন ৩. কোন ভূকম্পীয় তরঙ্গ তরল মাধ্যমে চলতে পারে না?

ক) P-wave

খ) S-wave

গ) P-wave ও S-wave উভয়ই

ঘ) কোনো তরঙ্গই কঠিন মাধ্যমে চলে না

সঠিক উত্তর: খ) S-wave
ব্যাখ্যা: S-wave-এর জন্য শিয়ার দৃঢ়তা প্রয়োজন, যা তরল মাধ্যমে থাকে না। তাই S-wave তরল বহিঃকেন্দ্রের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না।

প্রশ্ন ৪. ভূগর্ভের গলিত শিলাকে কী বলা হয়?

ক) লাভা

খ) ম্যাগমা

গ) লাহার

ঘ) ছাই

সঠিক উত্তর: খ) ম্যাগমা
ব্যাখ্যা: ভূগর্ভের গলিত শিলা হলো ম্যাগমা। এটি ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে তাকে লাভা বলা হয়।

প্রশ্ন ৫. প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পের সক্রিয় বলয়টি কী নামে পরিচিত?

ক) Ring of Fire

খ) Ring of Ice

গ) Mid-Atlantic Belt

ঘ) Equatorial Belt

সঠিক উত্তর: ক) Ring of Fire
ব্যাখ্যা: Pacific Ring of Fire প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশের বিস্তৃত অঞ্চল, যেখানে বহু প্লেট সীমানা, সাবডাকশন অঞ্চল, ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

প্রশ্ন ৬. কোন ধরনের প্লেট সীমানায় দুটি প্লেট পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়?

ক) অভিসারী (Convergent)

খ) রূপান্তরী (Transform)

গ) অপসারী (Divergent)

ঘ) স্থির সীমানা

সঠিক উত্তর: গ) অপসারী (Divergent)
ব্যাখ্যা: Divergent boundary-তে প্লেট দুটি দূরে সরে যায়। ম্যাগমা উঠে এসে অনেক ক্ষেত্রে নতুন ভূত্বক তৈরি করে, যেমন মধ্য-আটলান্টিক শৈলশিরায়।

প্রশ্ন ৭. হিমালয় পর্বতমালা গঠনের সঙ্গে কোন প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত?

ক) ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষ

খ) দুটি প্লেটের দূরে সরে যাওয়া

গ) শুধু বায়ুর ক্ষয়

ঘ) সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা

সঠিক উত্তর: ক) ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষ
ব্যাখ্যা: ভারতীয় প্লেটের উত্তরমুখী চলাচল ও ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ভূত্বক ভাঁজ ও উত্থিত হয়েছে; এই প্রক্রিয়া হিমালয় গঠনের মূল কারণ।

প্রশ্ন ৮. দুটি প্লেট পাশাপাশি একে অপরের তুলনায় সরে গেলে কোন ধরনের সীমানা তৈরি হয়?

ক) Divergent

খ) Convergent

গ) Transform

ঘ) Subduction-only boundary

সঠিক উত্তর: গ) Transform
ব্যাখ্যা: Transform boundary-তে প্লেটগুলি পাশাপাশি সরে যায়। ঘর্ষণ ও চাপ সঞ্চিত হয়ে হঠাৎ মুক্ত হলে ভূমিকম্প হতে পারে।

প্রশ্ন ৯. ভূমিকম্পের Magnitude ও Intensity-এর মধ্যে সঠিক পার্থক্য কোনটি?

ক) দুটির অর্থ সম্পূর্ণ একই

খ) Magnitude শক্তি মুক্তির পরিমাপের সঙ্গে যুক্ত; Intensity নির্দিষ্ট স্থানে কম্পন ও ক্ষতির মাত্রা বোঝায়

গ) Intensity শুধু ভূমিকম্পের গভীরতা বোঝায়

ঘ) Magnitude কেবল ভবনের ক্ষতি মাপে

সঠিক উত্তর: খ)
ব্যাখ্যা: Magnitude ভূমিকম্পের উৎসের শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। Intensity নির্দিষ্ট স্থানে কম্পনের প্রভাব বোঝায় এবং স্থানভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রশ্ন ১০. কোন বক্তব্যটি সঠিক?

ক) সব আগ্নেয়গিরি প্লেট সীমানায় অবস্থিত

খ) সব ভূমিকম্প একই মাত্রার হয়

গ) হটস্পটের কারণে প্লেট সীমানা থেকে দূরেও আগ্নেয়গিরি তৈরি হতে পারে

ঘ) Transform boundary-তে কখনো ভূমিকম্প হয় না

সঠিক উত্তর: গ)
ব্যাখ্যা: হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের আগ্নেয়গিরিগুলি হটস্পট কার্যকলাপের পরিচিত উদাহরণ। তাই সব আগ্নেয়গিরি প্লেট সীমানায় তৈরি হয়—এমন ধারণা সঠিক নয়। Transform সীমানাতেও ভূমিকম্প হতে পারে।

১০. দ্রুত রিভিশন: এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Keyword মনে রাখার তথ্য
Focus / Hypocentre পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের শক্তি মুক্তির স্থান।
Epicentre Focus-এর ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের স্থান।
P-wave সাধারণত দ্রুততম; কঠিন ও তরল উভয় মাধ্যমে চলে।
S-wave তরল মাধ্যমে চলতে পারে না।
Magma ভূগর্ভের গলিত শিলা।
Lava ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসা গলিত শিলা।
Ring of Fire প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে বিস্তৃত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির সক্রিয় বলয়।
Divergent boundary প্লেট দূরে সরে যায়; নতুন ভূত্বক তৈরি হতে পারে।
Convergent boundary প্লেট কাছাকাছি আসে; সংঘর্ষ বা সাবডাকশন হতে পারে।
Transform boundary প্লেট পাশাপাশি সরে; ফল্টজনিত ভূমিকম্প হতে পারে।
হিমালয় ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত।

১১. MyTestSeries-এর সম্পর্কিত ভূগোল নোট

এই বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে নিচের সম্পর্কিত অধ্যায়গুলি ধারাবাহিকভাবে পড়ুন। লিঙ্কগুলি সাইটের ভূগোল ও সরকারি পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়গুলির সঙ্গে সম্পর্কিত।

১২. নির্ভরযোগ্য বাহ্যিক রিসোর্স

WhatsApp Channel-এ যোগ দিন — Daily Updates ও News পান

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন — আরও পরীক্ষামুখী নোট ও অনুশীলনের জন্য

১৩. সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

ভূমিকম্প কী?

পৃথিবীর অভ্যন্তরে সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ মুক্ত হয়ে ভূকম্পীয় তরঙ্গ তৈরি করলে ভূপৃষ্ঠে যে কম্পন অনুভূত হয়, তাকে ভূমিকম্প বলে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের পার্থক্য কী?

কেন্দ্র বা Focus পৃথিবীর অভ্যন্তরে শক্তি মুক্তির স্থান। উপকেন্দ্র বা Epicentre হলো সেই কেন্দ্রের ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের স্থান।

P-wave ও S-wave-এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?

P-wave কঠিন ও তরলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে চলতে পারে এবং সাধারণত দ্রুততম। S-wave কঠিন মাধ্যমে চলে, কিন্তু তরল মাধ্যমে চলতে পারে না।

টেকটোনিক প্লেটের সীমানা কয় প্রকার?

প্রধানত তিন প্রকার: অপসারী (Divergent), অভিসারী (Convergent) এবং রূপান্তরী বা পাশাপাশি সঞ্চালনকারী (Transform)।

Ring of Fire কী?

প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা বিস্তৃত অঞ্চল, যেখানে বহু সক্রিয় প্লেট সীমানা, আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে, তাকে Pacific Ring of Fire বলা হয়।

ভারতের কোন অঞ্চলগুলি ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ?

হিমালয় ও উত্তর-পূর্ব ভারত, আন্দামান-নিকোবর অঞ্চল এবং কচ্ছসহ আরও কয়েকটি অঞ্চল ভূমিকম্পের ঝুঁকির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি নির্ধারণে সরকারি ভূমিকম্প-প্রবণতা মানচিত্র দেখতে হবে।

ম্যাগমা ও লাভার পার্থক্য কী?

ভূগর্ভে থাকা গলিত শিলাকে ম্যাগমা বলে। সেই গলিত শিলা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে তাকে লাভা বলা হয়।

ভূমিকম্পের Magnitude ও Intensity কি একই?

না। Magnitude ভূমিকম্পের উৎসে মুক্ত শক্তির পরিমাপের সঙ্গে সম্পর্কিত; Intensity নির্দিষ্ট স্থানে কম্পন ও ক্ষতির প্রভাব বোঝায়।

১৪. Related Exam Products ও প্রস্তুতির পরবর্তী ধাপ

ভূগোলের এই অধ্যায়ের সঙ্গে ভারতের ভূগোল, পশ্চিমবঙ্গের ভূগোল এবং WBPSC Miscellaneous প্রস্তুতি যুক্ত করে পড়ুন। আপনার সাইটে উপলভ্য সংশ্লিষ্ট নোট ও অনুশীলন সামগ্রী বেছে নিয়ে ধারাবাহিক রিভিশন করুন।


Get Daily Free Questions

Practice Faster. Score Higher.

Download Our App

Practice Faster. Score Higher. Install the App Now.

Categories

Test Series