ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble): সম্পূর্ণ বাংলা নোট ও MCQ

Indian Polity • Bengali Study Notes

ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা (The Preamble to the Indian Constitution): সম্পূর্ণ বাংলা নোট ও ১০টি MCQ

TET, CTET, WBPSC Clerkship, WBCS, SSC, RRB, Police এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তাবনার অর্থ, ঐতিহাসিক তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, সাংবিধানিক আদর্শ ও পরীক্ষায় আসার মতো প্রশ্ন সহজ বাংলায়।

সম্পূর্ণ বাংলা নোটপরীক্ষাভিত্তিক তথ্য১০টি অনলাইন MCQদ্রুত রিভিশন
এখনই MCQ টেস্ট দিন ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন

১. ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা কী?

ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble) হলো সংবিধানের সূচনায় থাকা একটি সংক্ষিপ্ত ঘোষণাপত্র, যেখানে সংবিধানের মূল দর্শন, রাষ্ট্রের চরিত্র এবং নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত প্রধান আদর্শগুলি প্রকাশ করা হয়েছে। সহজভাবে বললে, প্রস্তাবনা আমাদের জানায় ভারত কেমন রাষ্ট্র হতে চায় এবং নাগরিকদের জন্য কোন কোন মূল্যবোধ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছে।

প্রস্তাবনায় ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে সংবিধান গ্রহণ, প্রণয়ন ও নিজেদের প্রতি অর্পণের কথা বলা হয়েছে। এতে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের আদর্শের পাশাপাশি ভারতের রাষ্ট্র-পরিচয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

পরীক্ষার উপযোগী সংজ্ঞা: সংবিধানের প্রস্তাবনা হলো এমন একটি প্রারম্ভিক ঘোষণা, যা সংবিধানের উদ্দেশ্য, রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র এবং জনগণের জন্য নির্ধারিত প্রধান সাংবিধানিক আদর্শগুলিকে সংক্ষেপে তুলে ধরে।

প্রস্তাবনার গুরুত্ব

  • সংবিধানের দর্শন প্রকাশ করে: রাষ্ট্রের আদর্শ ও উদ্দেশ্য সংক্ষেপে জানায়।
  • রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করে: ভারতকে সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করে।
  • সাংবিধানিক মূল্যবোধের দিকনির্দেশ দেয়: ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে।
  • সংবিধান ব্যাখ্যায় সহায়তা করে: সাংবিধানিক বিধানের অর্থ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে প্রস্তাবনা সংবিধানের সামগ্রিক লক্ষ্য বুঝতে সাহায্য করতে পারে।
  • নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলে: অধিকার, মর্যাদা, ঐক্য ও গণতান্ত্রিক দায়িত্বের ধারণা শক্তিশালী করে।

২. প্রস্তাবনার মূল বক্তব্য ও “আমরা, ভারতের জনগণ”

প্রস্তাবনার ইংরেজি সূচনা হলো “WE, THE PEOPLE OF INDIA”। এর বাংলা অর্থ “আমরা, ভারতের জনগণ”। এই কথাটি বোঝায় যে সংবিধানের কর্তৃত্বের উৎস জনগণ। জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছা ও গণতান্ত্রিক সার্বভৌমত্ব ভারতীয় সংবিধানের অন্যতম ভিত্তি।

প্রস্তাবনা ঘোষণা করে যে ভারতের জনগণ ভারতকে একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্র-চরিত্রসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে এবং নাগরিকদের জন্য ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের আদর্শ নিশ্চিত করতে সংবিধান গ্রহণ করেছে।

প্রস্তাবনার মূল কাঠামো মনে রাখুন
  1. “আমরা, ভারতের জনগণ” — সংবিধানের কর্তৃত্বের উৎস জনগণ।
  2. ভারতের রাষ্ট্র-পরিচয় — সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, প্রজাতন্ত্র।
  3. নাগরিকদের জন্য — সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার।
  4. স্বাধীনতা — চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্মবিশ্বাস ও উপাসনা।
  5. সাম্য — মর্যাদা ও সুযোগের সমতা।
  6. ভ্রাতৃত্ব — ব্যক্তির মর্যাদা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতি।

প্রস্তাবনার সরকারি পাঠ যাচাই করতে ভারতের আইন ও বিচার মন্ত্রকের Legislative Department-এর Constitution of India নথি দেখুন।

৩. প্রস্তাবনার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র-পরিচয়সূচক শব্দ

প্রস্তাবনায় ভারতকে পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলির ইংরেজি শব্দ, বাংলা অর্থ এবং পরীক্ষায় প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা মনে রাখা জরুরি।

১. Sovereign — সার্বভৌম

ভারত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ে স্বাধীন কর্তৃত্বসম্পন্ন রাষ্ট্র। ভারত অন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অধীন নয় এবং নিজের সাংবিধানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

২. Socialist — সমাজতান্ত্রিক

সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়, বৈষম্য হ্রাস, কল্যাণ এবং সুযোগের ন্যায্য বণ্টনের আদর্শকে গুরুত্ব দেয়। ভারতীয় প্রেক্ষাপটে এটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত একটি সমাজকল্যাণমুখী ধারণা।

৩. Secular — ধর্মনিরপেক্ষ

রাষ্ট্র কোনো একটি ধর্মকে রাষ্ট্রের একমাত্র ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে না। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক মর্যাদা সাংবিধানিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৪. Democratic — গণতান্ত্রিক

জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি বেছে নেয় এবং সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখে। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ।

৫. Republic — প্রজাতন্ত্র

রাষ্ট্রের প্রধান বংশানুক্রমিক রাজা বা রানি নন। ভারতে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন; তিনি বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রের প্রতিনিধি নন।

পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ: “সমাজতান্ত্রিক” (Socialist) ও “ধর্মনিরপেক্ষ” (Secular) শব্দ দুটি ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে প্রস্তাবনায় যুক্ত হয়। “সার্বভৌম”, “গণতান্ত্রিক” ও “প্রজাতন্ত্র” শব্দগুলি মূল প্রস্তাবনাতেই ছিল।

৪. প্রস্তাবনার চারটি মূল আদর্শ: ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব

প্রস্তাবনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির একটি হলো চারটি সাংবিধানিক আদর্শ। সরকারি চাকরির পরীক্ষা এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় এগুলির সংজ্ঞা, প্রকারভেদ ও পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

৪.১ ন্যায়বিচার (Justice)

প্রস্তাবনায় ন্যায়বিচারকে তিনটি ভাগে উল্লেখ করা হয়েছে: সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক। ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য হলো মানুষের মর্যাদা রক্ষা, অন্যায় বৈষম্য কমানো এবং ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করা।

  • সামাজিক ন্যায়বিচার: জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ বা সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে অন্যায় বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টা।
  • অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার: অর্থনৈতিক সুযোগের ন্যায্যতা, শোষণ হ্রাস এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পরিস্থিতি তৈরির আদর্শ।
  • রাজনৈতিক ন্যায়বিচার: রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ন্যায্য সুযোগ।

৪.২ স্বাধীনতা (Liberty)

স্বাধীনতা বলতে প্রস্তাবনায় চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্মবিশ্বাস ও উপাসনার স্বাধীনতাকে বোঝানো হয়েছে। স্বাধীনতা ব্যক্তির মত প্রকাশ ও বিবেকের মর্যাদা রক্ষা করে। তবে সাংবিধানিক স্বাধীনতার অর্থ এই নয় যে কোনো ব্যক্তি আইন বা অন্যের অধিকার উপেক্ষা করে যেকোনো কাজ করতে পারেন। প্রযোজ্য সাংবিধানিক বিধান ও আইনও বিবেচ্য।

৪.৩ সাম্য (Equality)

সাম্য বলতে মর্যাদা ও সুযোগের সমতার আদর্শ বোঝায়। আইনের সামনে সমতা, সমান আইনি সুরক্ষা এবং বৈষম্যবিরোধী সাংবিধানিক ব্যবস্থা এই আদর্শের সঙ্গে সম্পর্কিত। সাম্য মানে সব মানুষের পরিস্থিতি হুবহু একই হওয়া নয়; বরং অন্যায় বৈষম্য দূর করে ন্যায্য সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা।

৪.৪ ভ্রাতৃত্ব (Fraternity)

ভ্রাতৃত্ব হলো পারস্পরিক সম্মান, সংহতি এবং একসঙ্গে বসবাসের চেতনা। প্রস্তাবনা ভ্রাতৃত্বের সঙ্গে ব্যক্তির মর্যাদা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতিকে যুক্ত করেছে। ভাষা, ধর্ম, অঞ্চল ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও নাগরিকদের মধ্যে সম্মান ও সহযোগিতা গড়ে তোলা এর গুরুত্বপূর্ণ দিক।

আদর্শপ্রস্তাবনার মূল বক্তব্যমনে রাখার শব্দ
ন্যায়বিচার (Justice)সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়ন্যায্যতা
স্বাধীনতা (Liberty)চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্মবিশ্বাস ও উপাসনাস্বাধীনতা
সাম্য (Equality)মর্যাদা ও সুযোগের সমতাসমান মর্যাদা
ভ্রাতৃত্ব (Fraternity)ব্যক্তির মর্যাদা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতিসংহতি

চারটি আদর্শের বিস্তারিত ব্যাখ্যা পড়তে ভারতের সংবিধানের মূল মূল্যবোধ: ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব পেজটি দেখুন।

আরও বাংলা নোট ও বিনামূল্যে প্রস্তুতি

সংবিধান ও নাগরিকবিদ্যার পরের অধ্যায়গুলি পড়ুন এবং অনুশীলনী ও পরীক্ষার আপডেট পেতে বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন।

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে MCQ অনুশীলন করুন দৈনিক আপডেটের WhatsApp চ্যানেলে যোগ দিন

৫. প্রস্তাবনার ঐতিহাসিক পটভূমি

৫.১ সংবিধান গ্রহণ ও কার্যকর হওয়ার তারিখ

ভারতের সংবিধান গণপরিষদে ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ গৃহীত হয়। সংবিধানের অধিকাংশ বিধান কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০। এই দিনটি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়।

৫.২ জওহরলাল নেহরুর Objective Resolution

সংবিধান প্রণয়নের সময় জওহরলাল নেহরু গণপরিষদে Objective Resolution বা উদ্দেশ্য-প্রস্তাব পেশ করেন। এটি ১৩ ডিসেম্বর ১৯৪৬ উত্থাপিত হয় এবং ২২ জানুয়ারি ১৯৪৭ গৃহীত হয়। সংবিধানের মৌলিক আদর্শ গঠনে এই প্রস্তাব গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। পরীক্ষার প্রস্তুতিতে Objective Resolution-এর সঙ্গে প্রস্তাবনার সম্পর্ক মনে রাখা ভালো।

৫.৩ ৪২তম সংবিধান সংশোধনী, ১৯৭৬

১৯৭৬ সালের ৪২তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে প্রস্তাবনায় “Socialist” এবং “Secular” শব্দ দুটি যুক্ত হয়। একই সংশোধনীর মাধ্যমে “unity of the Nation” বাক্যাংশ পরিবর্তন করে “unity and integrity of the Nation” করা হয়।

মনে রাখুন: ৪২তম সংশোধনীকে প্রায়ই “Mini Constitution” বলা হয়। প্রস্তাবনার ক্ষেত্রে পরীক্ষার মূল তথ্য হলো “সমাজতান্ত্রিক” ও “ধর্মনিরপেক্ষ” শব্দ সংযোজন এবং “ঐক্য” শব্দবন্ধে “সংহতি” যোগ হওয়া।

৭. সরকারি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: এক নজরে

প্রশ্নের বিষয়সঠিক তথ্য
সংবিধান গৃহীত২৬ নভেম্বর ১৯৪৯
সংবিধান কার্যকর২৬ জানুয়ারি ১৯৫০
প্রস্তাবনার সূচনা“We, the People of India” — “আমরা, ভারতের জনগণ”
রাষ্ট্র-পরিচয়ের শব্দSovereign, Socialist, Secular, Democratic, Republic
৪২তম সংশোধনী১৯৭৬; Socialist ও Secular যোগ এবং “integrity” সংযোজন
ন্যায়বিচারের প্রকারসামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
স্বাধীনতার ক্ষেত্রচিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্মবিশ্বাস ও উপাসনা
সাম্যের আদর্শমর্যাদা ও সুযোগের সমতা
ভ্রাতৃত্বের লক্ষ্যব্যক্তির মর্যাদা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতি
Objective Resolution১৩ ডিসেম্বর ১৯৪৬ পেশ; ২২ জানুয়ারি ১৯৪৭ গৃহীত
কেশবানন্দ ভারতী মামলা১৯৭৩; প্রস্তাবনা সংবিধানের অংশ, মৌলিক কাঠামো নীতি গুরুত্বপূর্ণ

পরীক্ষায় যে ভুলগুলি এড়াবেন

  • ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ হলো সংবিধান গৃহীত হওয়ার তারিখ; ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ হলো কার্যকর হওয়ার তারিখ।
  • “Socialist” ও “Secular” মূল প্রস্তাবনায় ছিল না; ১৯৭৬ সালে ৪২তম সংশোধনীতে যোগ করা হয়।
  • ন্যায়বিচারের তিনটি ধরন হলো সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক।
  • স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনায় চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্মবিশ্বাস ও উপাসনার কথা রয়েছে।
  • ভ্রাতৃত্বের সঙ্গে ব্যক্তির মর্যাদা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতি যুক্ত।
  • প্রস্তাবনা সংবিধানের অংশ হলেও নিজে স্বতন্ত্রভাবে আদালতে বলবৎযোগ্য নয়।

৮. ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা: ১০টি অনলাইন MCQ টেস্ট

প্রতিটি প্রশ্নের একটি সঠিক উত্তর নির্বাচন করুন। শেষে “উত্তর যাচাই করুন” বাটনে ক্লিক করলে আপনার স্কোর, সঠিক উত্তর এবং সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেখতে পাবেন। এই প্রশ্নগুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তৈরি অনুশীলনী; এগুলিকে হুবহু বিগত বছরের প্রশ্ন বলে ধরে নেবেন না।

১. ভারতের সংবিধান কবে গৃহীত হয়?
২. “Socialist” ও “Secular” শব্দ দুটি প্রস্তাবনায় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত হয়?
৩. “We, the People of India” কথাটি মূলত কী বোঝায়?
৪. প্রস্তাবনায় ন্যায়বিচারের কোন তিনটি ধরন উল্লেখ করা হয়েছে?
৫. প্রস্তাবনায় স্বাধীনতার সঙ্গে কোন বিষয়গুলি উল্লেখ আছে?
৬. প্রস্তাবনার “Republic” বা প্রজাতন্ত্র শব্দটির সঠিক অর্থ কোনটি?
৭. প্রস্তাবনায় সাম্যের আদর্শ কোন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়?
৮. প্রস্তাবনার ভ্রাতৃত্বের আদর্শের সঙ্গে কোন বিষয়টি যুক্ত?
৯. কেশবানন্দ ভারতী মামলার (১৯৭৩) সঙ্গে কোন সাংবিধানিক নীতি বিশেষভাবে যুক্ত?
১০. প্রস্তাবনার সাংবিধানিক অবস্থান সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সঠিক?

৯. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা কী?

প্রস্তাবনা হলো সংবিধানের সূচনায় থাকা একটি ঘোষণা, যা ভারতের রাষ্ট্র-পরিচয়, সংবিধানের উদ্দেশ্য এবং ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের আদর্শ তুলে ধরে।

ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা কবে গৃহীত হয়?

ভারতের সংবিধান ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ গৃহীত হয়। সংবিধানের অধিকাংশ বিধান ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ কার্যকর হয়।

প্রস্তাবনায় Socialist ও Secular শব্দ দুটি কখন যোগ করা হয়?

১৯৭৬ সালের ৪২তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে “Socialist” বা সমাজতান্ত্রিক এবং “Secular” বা ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ দুটি যুক্ত হয়।

প্রস্তাবনার চারটি মূল আদর্শ কী?

চারটি মূল আদর্শ হলো ন্যায়বিচার (Justice), স্বাধীনতা (Liberty), সাম্য (Equality) এবং ভ্রাতৃত্ব (Fraternity)।

প্রস্তাবনা কি ভারতের সংবিধানের অংশ?

হ্যাঁ। কেশবানন্দ ভারতী মামলায় (১৯৭৩) সুপ্রিম কোর্ট প্রস্তাবনাকে সংবিধানের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তবে প্রস্তাবনা নিজে স্বতন্ত্রভাবে আদালতে বলবৎযোগ্য অধিকার সৃষ্টি করে না।

প্রস্তাবনায় “We, the People of India” কথাটির অর্থ কী?

এর অর্থ “আমরা, ভারতের জনগণ”। এটি সংবিধানের কর্তৃত্বের উৎস হিসেবে জনগণের সার্বভৌমত্বকে তুলে ধরে।

প্রস্তাবনায় ন্যায়বিচারের কতটি ধরন রয়েছে?

তিনটি—সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার এবং রাজনৈতিক ন্যায়বিচার।

প্রস্তাবনার ভ্রাতৃত্বের আদর্শ কী নিশ্চিত করতে চায়?

ভ্রাতৃত্বের আদর্শ ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার লক্ষ্য প্রকাশ করে।

১০. সরকারি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সম্পর্কিত লিংক ও রিসোর্স

সরকারি ও প্রামাণ্য বাহ্যিক রিসোর্স

বাহ্যিক লিংকগুলি সরকারি ও প্রামাণ্য রিসোর্সের জন্য দেওয়া হয়েছে। এগুলি সাধারণ HTML লিংক; আপনার WordPress বা SEO প্লাগইন যদি আলাদা rel-অ্যাট্রিবিউট যোগ করে, প্রকাশের আগে সেটি যাচাই করুন।

সম্পর্কিত পরীক্ষা ও প্রস্তুতির পণ্য

প্রতিদিনের প্রস্তুতি চালিয়ে যান

নতুন নোট, অনলাইন MCQ এবং সরকারি পরীক্ষার আপডেট পেতে বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন।

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন Daily Updates পেতে WhatsApp-এ যোগ দিন

শিক্ষামূলক নোট: এই পৃষ্ঠাটি সরকারি পরীক্ষার প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে তৈরি। পরীক্ষার আগে সংবিধানের সর্বশেষ সরকারি পাঠ এবং সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি যাচাই করুন।

বিনামূল্যে প্রস্তুতি শুরু করুন
নতুন নোট ও MCQ-এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন।

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন

Get Daily Free Questions

Practice Faster. Score Higher.

Download Our App

Practice Faster. Score Higher. Install the App Now.

Categories

Test Series